Digital Barta

Digital Barta - An online news portal 24Hours at your service. Here we Value the Genuine news only.

Don't Miss! Grab the Deal Now

Breaking

Showing posts with label SCHOOL TEACHER. Show all posts
Showing posts with label SCHOOL TEACHER. Show all posts

Monday, 2 August 2021

August 02, 2021

কিভাবে ধাপে ধাপে আবেদন করবেন উত্সস্রী প্রকল্পে ! দেখে নিন

 ট্রান্সফার পোর্টালে আবেদন করার পদ্ধতি দেখে নিন



মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু গত ৩১ শে জুলাই রাজ্যের সমস্ত শিক্ষকদের জন্য উদ্বোধন করেছেন " উত্সস্রী " প্রকল্প , যার সুফল পাবেন  প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকা 

শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষনা মত এবার শিক্ষক শিক্ষিকারা চাইলেই বদলি নিতে পারবেন নিজের বাড়ির কাছাকাছি কোন স্কুলে এবং সেই জন্যই এই পোর্টাল চালু করেছে রাজ্য সরকার .....

গত  ২ রা অগাস্ট থেকে শিক্ষকরা বদলির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে  অনলাইনে , এবার থেকে বদলির জন্য আর কোথাও দৌড়ঝাপ করবার প্রয়োজন হবে না ! বাড়িতে বসেই অনলাইনে আবেদন জমা করতে পারবেন ......

কিন্তু , আবেদনের আগে ভালো ভাবে দেখে নিন ধাপে ধাপে কিভাবে নির্ভুল আবেদন জমা করবেন আপনার উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে ? 
কারণ - একবার আবেদন ফায়নালায়জ করে দিলে তা আর এডিট করা সম্ভব হবে না!


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
তবে , আবেদন করার পদ্ধিতি জানার আগে জেনে নিন কি সেই গুরুত্বপূর্ন নয়টি পয়েন্ট এবং রেডি রাখুন হাতের কাছে ....: জানার জন্য ক্লিক করুন এখানে 

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


▶️(1) উৎসশ্রী পোর্টালে  লগইন করে " টিচার ট্রান্সফার " অপশনে ক্লিক করুন এবং ইউনিক আইডি, প্যান নম্বর দিয়ে লগইন করুন। মোবাইলে OTP এলে ওটিপি  দিয়ে এগিয়ে যান।

▶️(2).পরবর্তী  Window-3   খুললেই নিজের  Code, Academic Section, School Name, District Name, Gender, Subject, School Category, District, Sub Division অপশনগুলি চেক করে নেবেন ।
 
▶️(3)  টিচার ট্রান্সফার  ডাউনলোড করে আগেই পড়ে নেবেন।  জেলার 3টি স্কুল ভেকেন্সি অনুসারে অপশন বাছাই করতে পারেন..... 

▶️(4) পরবর্তী Window-5 5 মেনমেনুর মধ্যে 6 টি অপশনের মধ্যে যেকোন একটি ( 5a, 5b,5c,5d, 5e, 5f) অপশন Applicable  সেটির প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস  রেডি করে রাখুন হার্ড কপি এবং সফট কপি  (পিডিএফ)। 
(I) 5a- Medical Reason Self- বিভিন্ন রোগ
(II) 5b- Female Teacher Transfer Ground- সন্তান, ডিভোর্স
(III) 5c- Teacher Of Age 57 Reason- হোম ডিস্ট্রিক্ট ট্রান্সফার
(IV) 5d-Medical Reason Others -
(V) 5e-Any Other Reason ( Distance) -ডিস্ট্রেন্স ( বাড়ি থেকে স্কুল, সার্ভিস) 
( VI) 5f- Physical Handicapped ( PH) প্রতিবন্ধী শিক্ষক,শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মী -40%

TO Download Whatsapp "Hi" To 9732 680 693
Or
Click Here To Install From Play Store
Buyer India

GET CASHBACK ON SHOPPING & RETURN


▶️(5) Window-6 এ উপরের তথ্য ও ডকুমেন্ট আপলোড করার পর আপডেট ও ফায়নালায়জ  করতে হবে।
 
▶️(6) " ফাইনালাইজ " করার পর কোন তথ্য এডিট ও পরিবর্তন করা যাবে না। সুতরাং, অত্যন্ত সতর্কভাবে আপলোড করবেন। 

▶️(7) ফায়নালায়জ  করার পর তিনটি সিলেক্টেড  স্কুল ও সেলফ ট্রান্সফার  প্রোপসাল আইডি  পাবেন, সেটি লিখে রাখুন ও ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে রাখুন।

▶️(8) আবেদন করার পর তার স্টেটাস দেখতে পাবেন Window-8 এ। HOI, DI, WBSED ,WBCSSC, WBBSE কোন লেভেলে Application আছে। 

▶️(9) Window-9 তে Teacher Transfer Eligibility Marks দেখতে পাবেন।


যেকোনো তথ্য সরাসরি আপনাদের ফেসবুকে
আপডেট পেতে  লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন ফেসবুক পেজ
 - DigitalBarta

LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 



August 02, 2021

উত্সস্রী - ভয় নাকি ভরসা ! দোলাচলে শিক্ষকেরা !

 ভয় নাকি ভরসা ! দোলাচলে শিক্ষকেরা !

 


মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু গত ৩১ শে জুলাই রাজ্যের সমস্ত শিক্ষকদের জন্য উদ্বোধন করেছেন " উত্সস্রী " প্রকল্প , যার সুফল পাবেন  প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকা 

শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষনা  মত এবার শিক্ষক শিক্ষিকারা চাইলেই বদলি নিতে পারবেন নিজের বাড়ির কাছাকাছি কোন স্কুলে এবং সেই জন্যই এই পোর্টাল চালু করেছে রাজ্য সরকার .....

গত  ২ রা অগাস্ট থেকে শিক্ষকরা বদলির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে  অনলাইনে , এবার থেকে বদলির জন্য আর কোথাও দৌড়ঝাপ করবার প্রয়োজন হবে না ! বাড়িতে বসেই অনলাইনে আবেদন জমা করতে পারবেন ......

স্বাভাবিকভাবে বলা যেতেই পারে শিক্ষক শিক্ষিকাদের বদলির জন্য এরকম উদ্যোগ এই প্রথম তবে যাদের জন্য এই উদ্যোগ সেই  শিক্ষক শিক্ষিকারা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানালেন -

ওনাদের কথায় , উদ্যোগ ভালো সন্দেহ নেই কিন্তু তাতে আরো কিছু নিয়ম নীতি লঘু করা বা সংযোজন করার প্রয়োজন আছে , এ প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলার বেশ কিছু শিক্ষক শিক্ষিকা জানিয়েছেন ( মেল মারফৎ ) যে , এই প্রকল্পের ফলে ওনারা চরম ভাবে বঞ্চিত হতে চলেছেন !!

কারণ - নির্বাচনের আগেই রাজ্য সরকার দশ হাজার জনের বদলির এক তালিকা তৈরী করেন এবং সেই তালিকা থেকে ইতিপূর্বেই প্রায় সাত হাজার জন শিক্ষকের বদলি হলেও  কোনো এক অজানা কারণে বঞ্চিত থেকে গেল পুরুলিয়া জেলায় কর্মরত বাকুড়া জেলার শিক্ষকেরা !!

এবার এই নতুন "উত্স্স্রী " প্রকল্পে সেই রকম অনেক  শিক্ষক/শিক্ষিকা  আবেদন করার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন নিয়মের ঘেরাটোপে !

যেমন - একজন শিক্ষক মশায় , যিনি প্রায় বছর পনেরো  চাকুরী করলেও, তিনি আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছেন না ! শুনতে অবাক লাগলেও নিয়মের বেড়াজালে এমনটাই হচ্ছে !
কারণ উনি হয়তো  তিন বছর আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে প্রমোশন পান আর উত্সস্রী'র  নতুন নিয়মে বলা আছে একই পোস্ট এ মিনিমাম পাঁচ বছর কাজ করলে তবেই আবেদন করা যাবে ! 

আবার সমস্যার কথা শুনিয়েছেন উচ্চ প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকেরাও , ওনাদের মতে কয়েকটি বিষয়ে বেশ কিছু ধোয়াসা থেকেই যাচ্ছে যা পোর্টাল পুরোপুরি শুরু না হলে বোঝা যাবে না এই পোর্টাল কতটা সুবিধা করে দিতে পারবে শিক্ষকদের !

TO Download Whatsapp "Hi" To 9732 680 693
Or
Click Here To Install From Play Store
Buyer India

GET CASHBACK ON SHOPPING & RETURN

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে স্কুলের মোট শিক্ষকদের মধ্যে ১০% শিক্ষককে ছাড়া হতে পারে ! অর্থাৎ স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা মাইল ১০ জন থাকলে তার মধ্যে একজনকে ছাড়া হবে , তার মধ্যে আবার মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে নিয়মে ! তাই উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষকদের মধ্যেও কিছুটা হতাশা ধরা পড়ছে !

আবার আগে মিউচুয়াল ট্রান্সফার যেকোনো সময় আবেদন করে গেলেও এখন সেখানেও পাঁচ বছরের বেড়াজাল লাগু হয়েছে !

অন্যদিকে , প্রাথমিক  শিক্ষকদের মধ্যে এমন অনেক শিক্ষক আছেন যারা ইতিমধ্যেই ১০ বছরের বেশি কাজে আছেন কিন্তু আবেদন করতে পারবেন না ! কারণ হিসেবে জানতে পারা গেল রাজ্য সরকার rationalization  এর নমে বছর দুয়েক আগে অন্য স্কুলে তাদের বদলি করেন , ফলে নতুন স্কুলে যোগ দেওয়ার পর পাঁচ বছর অতিক্রান্ত না হওয়ায় ওনারাও আবেদন করতে পারবেন না বদলির জন্য ! অথচ ওনারা আজ দীর্ঘদিন বাড়ি থেকে ১০০ -১৫০ কিমি দুরের স্কুলে কাজ করে চলেছেন .....

__________________________________________________________________________________

কি কি ডকুমেন্ট রেডি রাখতে হবে উত্স্স্রী তে আবেদনের  পূর্বে দেখে নিন একনজরে এবং আবেদব করার আগে সেগুলি  হাতের কাছে রেডি রাখুন  - নয়টি গুরুত্বপূর্ন ডকুমেন্ট  ক্লিক করুন দেখার জন্য

 _______________________________________________________ 

এই সমস্ত বিষয়গুলি রাজ্যের শিক্ষা আধিকারিকদের কাছে তুলে ধরলে ওনারা জানান ,  মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী উদ্বোধনের দিনই জানিয়েছিলেন , রাজ্যের শিক্ষক শিক্ষিকারা নিজেদের অভাব /অভিযোগ / প্রস্তাব যা কিছুই থাক সেগুলি আমাদের কাছে পাঠাতে পারেন আগামী ৩১শে অগাস্ট এর মধ্যে  এবং আমরা আগামীদিনে প্রয়োজন ভিত্তিক পরিবর্তন যদি কিছু করার থাকে তাহলে তা নিশ্চয় করা হবে ......

প্রসঙ্গত ২ রা অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে বদলির জন্য আবেদন  গ্রহনের কাজ ....স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্যের প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের  শিক্ষক/শিক্ষিকাদের  পাখির চোখ এখন "উত্সস্রী " !

তবে, পোর্টাল চালু হতেই নানাবিধ সমস্যায় জেরবার হতে হচ্ছে শিক্ষকদের ! অভিযোগ যে , স্কুল চয়েস করতে গেলে যে স্কুল গুলি দেখানো হচ্ছে ,বাস্তবে খোজ নিয়ে দেখা যাচ্ছে সেখানে কোনো পদ আসলে খালিই নেই !!

এই উত্সস্রী রাজ্যের শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিজেদের উত্সে ( বাড়ির কাছে ) পৌছে দিতে পারবে কিনা তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরো বেশ কয়েকটা মাস !!


যেকোনো তথ্য সরাসরি আপনাদের ফেসবুকে
আপডেট পেতে  লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন ফেসবুক পেজ
 - DigitalBarta

LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 

August 02, 2021

উত্সস্রী : আবেদনের আগে গুরুত্বপূর্ণ নয়টি ডকুমেন্ট দেখে নিন

 হাতের কাছে যা যা রাখবেন ট্রান্সফার পোর্টালে আবেদন করার আগে দেখে নিন ও তৈরী রাখুন
তাড়াহুড়ো করে ভুল করবেন না 


২ রা অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে বদলির জন্য আবেদন  গ্রহনের কাজ ....স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্যের প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের  শিক্ষক/শিক্ষিকাদের  পাখির চোখ এখন "উত্সস্রী " !

তবে, পোর্টাল চালু হতেই নানাবিধ সমস্যায় জেরবার হতে হচ্ছে শিক্ষকদের ! অভিযোগ যে , স্কুল চয়েস করতে গেলে যে স্কুল গুলি দেখানো হচ্ছে ,বাস্তবে খোজ নিয়ে দেখা যাচ্ছে সেখানে কোনো পদ আসলে খালিই নেই !!

এই উত্সস্রী রাজ্যের শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিজেদের উত্সে ( বাড়ির কাছে ) পৌছে দিতে পারবে কিনা তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরো বেশ কয়েকটা মাস !!

তবে আপনি যদি রাজ্য সার্কের অধীন স্কুল গুলির শিক্ষক / শিক্ষিকা হন এবং আবেদন করার কথা ভাবছেন তাহলে দেরী না করে এখন থেকেই তৈরী রাখুন সমস্ত ডকুমেন্ট ...আসুন এক নজরে দেখে নিন গুরুত্বপূর্ণ নয়টি  ডকুমেন্ট কি কি ??


▶️(1) নিজের সার্ভিস  ইউনিক আইডি (৮ ডিজিট) ও প্যান কার্ড নম্বর (10 ডিজিট) রেডি রাখুন।

▶️(2) রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর(iOSMS) যে নম্বরে ট্রেজারি থেকে  স্যালারি মেসেজ আসে , সেই নম্বরটি...


▶️(3) আপনার ইমেল আইডি 📧 ঠিক করে রাখুন। মোবাইলে মেল আইডি খুলে রাখুন।

▶️(4) উৎসশ্রী সাইটটি সেভ করে রাখুন ও লগইন করুন আবেদনের পূর্বে ও আবেদনের সময় । 

▶️(5) সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ২০০ কেবির মধ্যে পিডিএফ তৈরি করে রেডি রাখুন। ডিসটেন্স  সার্টিফিকেট এর জন্য গুগল ম্যাপ  থেকে প্রিন্ট করে পিডিএফ( 200 KB) করে রাখুন।

▶️(6) ট্রান্সফার আবেদন করার আগে আপনার সাবজেক্ট, সেকশন, কোন জেলার কোন ব্লক ও সাবডিভিশনের স্কুলগুলি সিলেক্ট করবেন বলে মনস্থ করেছেন মোটামুটি ঠিক করে রাখুন। স্কুল VACANCY ড্রপ ডাউনেই পাওয়া যাবে। 

প্রাথমিকের ক্ষেত্রে মনস্থির করে রাখুন কোন সার্কেল এ আপনি যেতে চান সেটি এবং তার পার্শবর্তি দুইটি সার্কেল জেনে রাখুন , কারণ - একটি সার্কেল এ যদি শিক্ষক পদ খালি না পাওয়া যায় , তাহলে অন্য সার্কেলে সার্চ করবেন .....

DOWNLOAD THE APP NOW
TO Download Whatsapp "Hi" To 9732 680 693
Or
Click Here To Install From Play Store
Buyer India

GET CASHBACK ON SHOPPING & RETURN


▶️(7) স্কুল সিলেক্ট করার সময় নিশ্চিত ভাবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে অপশন দেবেন। 

▶️(8) ডিসটেন্স সার্টিফিকেট  এর জন্য গুগল ম্যাপ থেকে প্রিন্ট বের করে স্থানীয় BDO অফিস থেকে আবেদন করে সংগ্রহ করে রাখুন , আবেদন করার সময় সাথে দেবেন গুগল ম্যাপ এর প্রিন্ট / নিজের এপয়েন্টমেন্ট / এড্রেস প্রূফ (আধার/ভোটার ) / কারেন্ট  পে স্লিপ  ➡ 

 মেডিকেল  ডকুমেন্ট BMOH থেকে সংগ্রহ করতে হবে। সেটি ডিআই CMOH কে দিয়ে ভেরিফাই  করাবেন। 


▶️(9). মেডিকেল গ্রাউন্ড  যারা দেখাবেন বলে ভেবেছেন সঠিক মেডিকেল থাকলেই দেবেন, ভুল তথ্য পেশ করবেন না। 

________________________________________________________________________________

" উত্সস্রী " ভয়ের নাকি ভরসার ! দোলাচলে শিক্ষক শিক্ষিকারা ! কি বলছেন এই উত্সস্রী সম্পর্কে রাজ্যের শিক্ষক / শিক্ষিকারা - জানতে ক্লিক করুন এখানে 


___________________________________________________________________________________

Saturday, 10 October 2020

October 10, 2020

প্রাথমিকের ট্রান্সফার : কারো পৌষ মাস তো কারো সর্বনাশ !! প্রার্থী থেকে জেলার প্রাথমিক সংসদ বিরক্তি সর্বস্তরে

 প্রাথমিকের ট্রান্সফার : কারো পৌষ মাস তো কারো সর্বনাশ !!


রাজ্য জুড়ে শিক্ষকদের বন্ধ থাকা বদলি প্রক্রিয়া শুরু হতেই শোরগোল ! সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ বাবু সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছিলেন এবার থেকে সমস্ত শিক্ষকদের বদলি পুরোটাই হবে খুব সহজে এবং অনলাইনে ...

তবে তার আগেই রাজ্যের ভিন্ন জেলায় কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির অর্ডার বের হয় , সেখানে দেখা যাচ্ছে বদলির ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করা হয়নি ! এমনকি কোন জেলা থেকে একসাথে ভিন জেলার সমস্ত শিক্ষকদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে তো  কোথাও বেছে বেছে কিছু জেলার শিক্ষকদের ছাড়া হচ্ছে এবং দেখা হচ্ছে না কোনো নিয়ম নীতি ! 

আসুন দেখে নেওয়া যাক ঠিক কি কি অনিয়ম হচ্ছে বদলির ক্ষেত্রে - 

  1. শিক্ষার অধিকার আইনে পরিস্কার করে বলা হয়েছে কোনো পরিস্থিতিতেই বিদ্যালয় শুন্য করে শিক্ষকদের বদলি করা যাবে না ! কিন্তু , দেখা যাচ্ছে এরকম বহু শিক্ষকের বদলির অর্ডার এসেছে যারা ওই বিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষক ছিলেন ! ( আপাতত বিজ্ঞপ্তি বের করে তাদের সাময়িক আটকানো হয়েছে )

  2. বদলির ক্ষেত্রে কোনো সেনীয়রিটি দেখা হয় নি ... ! কোথাও বছর দুই আগে নিয়োগপ্রাপ্ত জুনিয়র শিক্ষকদের সবার ট্রান্সফার হচ্ছে কিন্তু দেখা যাচ্ছে ৮-১০ বছর শিক্ষকতা করার পরও ট্রান্সফার লিস্ট এ নাম নেই !! 

  3. আরো অভিযোগ কোথাও কোথাও বিশেষ একটি বা দুটি জেলার শিক্ষকদের ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছে ! কিন্তু কেন তার কোনো সদুত্তর নেই কারো কাছেই !
     
    যেমন - বাকুড়া জেলার যে সমস্ত শিক্ষক  শিক্ষিকারা পুরুলিয়া জেলায় নিযুক্ত ছিলেন , কোনো এক অজ্ঞাত কারণ বসত তাদের কারো নাম নেই বদলির তালিকায়.... একই ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার যারা ঝাড়গ্রাম জেলায় শিক্ষকতা করেন !!
     
    স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ জমছে সেই সমস্ত শিক্ষকদের , ওনাদের পরিস্কার কথা যদি ভিন জেলায় কর্মরত সকলের বদলি হয়ে থাকে তাহলে ওনারা বঞ্চিত কেন হচ্ছেন অথচ মাত্র দুই তিন বছর শিক্ষকতা করার পরেই বাকিরা সুযোগ পেয়ে গেলেন কোন নিয়মে !?

    এ ব্যাপারে পুরুলিয়া জেলার মাননীয় এ .আই . অসিত বাবুর সাথে ফোন কথা হলে উনি জানালেন  - "পুরুলিয়া জেলা থেকে ইতিমধ্যেই দুই ধাপে ৩১৪ ( ৩০৪ + ১০ ) জনের ট্রান্সফার অর্ডার এসেছে তবে বাকুড়া জেলার কারো নাম নেই তাতে !!"
     
    কেনো নেই সেই উত্তরে উনি ওনার ব্যক্তিগত মতমতে জানালেন - " পরবর্তী ক্ষেত্রে আরো হয়তো কিছু লিস্ট আসতে পারে , সেখানে বাকুড়া জেলার  প্রার্থীদের নাম  থাকতেও পারে " 
এদিকে ক্ষোভে ফুসছে জেলার শিক্ষকরা ! কারণ দীর্ঘদিন নিজ জেলার মধ্যেই ৮০- ১২০ কিলোমিটার দূরত্বে যাতায়াত করছেন তবু ওনাদের জন্য বরাদ্দ হয়নি কোনো বদলির অর্ডার !!

আবার দেখা যাচ্ছে মালদহ থেকে একসাথে প্রায় ৮০০ শিক্ষক বেরিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আর বিভিন্ন জেলা থেকে আসছেন মাত্র ৯০ ! এ এক চাহিদা আর যোগানের বিপুল অসামন্জস্য ! তাই অসুন্তুস্ট জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ গুলিও ! তবে ওনারা জানাচ্ছেন কিছুই করার নেই যা করার সবই তো হচ্ছে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর থেকে ..... 

আবার দেখা যাচ্ছে , যে সমস্ত শিক্ষকদের ট্রান্সফার অর্ডার এসেছে তাদের অনেকেরই আবার ভিন্ন ভাষার মাধ্যম স্কুলে বদলির অর্ডার এসেছে অর্থাৎ হয়ত ছিলেন বাংলা মাধ্যমে নতুন অর্ডার এ এসেছে হিন্দি মাধ্যম স্কুলে জয়েন করার ! 

কারো আবার আগের স্কুলের তুলনায় নতুন স্কুল আরো দুরে হয়ে গেছে ! ফলে বদলির বহু আখাঙ্খিত সুযোগ এলেও নিতে পারছেন না !

 এ যেন  এক প্রকৃত হ - য -ব - র - ল অবস্থা !
উত্তর নেই কারো কাছেই .....

প্রতিবার অনলাইন  কেনাকাটায় নিশ্চিত কাশব্যাক 
For FREE Download - CLICK HERE



আপনারা জানান আপনাদের মতামত , কতটা যুক্তিসংগত হয়েছে এই ট্রান্সফার !? কেনই বা সিনিয়র শিক্ষকদের বঞ্চিত করে এই ট্রান্সফার বা রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষায় এই বদলি কি কোনভাবে প্রভাব ফেলতে পারে ? জানান কমেন্টে -




Friday, 20 March 2020

March 20, 2020

প্রসংসা কুড়োতে গিয়ে বিতর্কের মুখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী : প্রসংগ স্কুলে চাল ও আলু বিতরণ

প্রশংসা  কুড়োতে গিয়ে বিতর্কের মুখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী : প্রসংগ স্কুলে চাল ও আলু বিতরণ !
সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখার সময় এই বিতরন কতটা যুক্তিযুক্ত !



বিশ্ব জুড়ে প্রতিটি দেশ করোনা  মোকাবিলায় নাজেহাল ..একের পর এক দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে  ভাইরাস..বাদ পরেনি আমাদের দেশ তথা রাজ্য .. এমন অবস্থায় দেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্যেশ্যে করোনা  মোকাবিলায় আগামী ২২শে মার্চ " জনতা কার্ফু " পালন করার অনুরোধ করেন ... পিছিয়ে নেই আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও  ..... 

তিনিও করোনা মোকাবিলায় সর্বতোভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন .. প্রশংসাও  কুড়িয়েছেন যথেস্ট ..কিন্তু হিতে বিপরীত হতে বসেছে স্কুল থেকে চাল ও আলু বিতরণ এর নির্দেশ বেরোতেই ! 

নির্দেশে বলা আছে , যেহেতু এখন স্কুল ছুটি তাই মিড ডে  মিল বন্ধ , সুতরাং স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বিলি করতে হবে চাল এবং ২ কেজি করে আলু ....তা শুরু করার কথা আগামী সোমবার থেকে 

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশেই বিতর্কের সূত্রপাত :

এমনিতে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ যথেস্ট সাধুবাদ যোগ্য় কিন্তু বর্তমানে করোনা  পরিস্থিতিতে তা কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে ভাবার অবকাশ রয়েছে ! কারণ- নির্দেশে বলা হয়েছে রবিবার দিন স্কুল গুলিকে রেডি করতে হবে সবকিছু সোমবার বিতরণ করার জন্যে অর্থাৎ কিনা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যে জনতা কার্ফু পালন করার অনুরোধ জাতির উদ্যেশ্যে করেছেন তার পরিপন্থী !


দ্বিতীয়ত , প্রতি ছাত্র ছাত্রী পিছু ২ কেজি করে আলু যোগার  করা এখন আরেক ঝামেলা ! এমনিতেই কালোবাজারী শুরু হয়ে গিয়েছে বাজারে ! এহেন পরিস্থিতিতে  কোনো স্কুলে যদি  ১০০ জন ছাত্রছাত্রী থাকে তাহলে ২০০ কেজি আলু ( মনে রাখতে হবে এটি শুধুমাত্র একটি স্কুলের হিসেব দেওয়া হলো , এলাকাতে এরকম অনেক স্কুল আছে ) পাওয়া খুবই সমস্যার হতে পারে !

তৃতীয়ত , এবং সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ন বিতর্কের বিষয় হলো - যখন সারা দেশ জুড়ে সোস্যাল দুরুত্ব বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে সেখানে স্কুল গুলিতে এইরকম বিতরণ কেন্দ্র আয়োজন হলে তো স্কুল ছুটি দেওয়ার আসল উদ্য়েশ্য় মার খাবে ! 

যদিও , নির্দেশিকায় উল্লেখ করা আছে - 
  • ভিড়  যাতে না হয় সেই মত ব্যবস্থা করতে হবে-
  • অভিভাবকদের স্কুলে এসে সংগ্রহ করতে হবে স্কুল থেকে -
  • যে সমস্ত অভিভাবকদের বিদেশ যাত্রার ইতিহাস আছে বা অন্য রাজ্য থেকে আসছেন তাদের স্কুলে আসার প্রয়োজন নেই - 

ইত্যাদি আরো নানাবিধ বিধিনিষেধ সম্বলিত অর্ডার টি ইতিমধ্যে পৌছে গেছে অফিস গুলিতে 

এখন প্রশ্ন কার অভিভাবক বিদেশ থেকে এসেছেন বা অন্য রাজ্য থেকে এসেছেন কিনা তা দেখবেন কে ! সে ব্যাপারে কিন্তু কোনো নির্দেশিকা নেই !আবার গ্রামে গঞ্জের স্কুল গুলিতে বিতরণ মানে এক স্থানীয় উত্সবের পর্যায়ে পৌঁছয় ! কে নিয়ন্ত্রণ করবেন এই সমবেত অভিভাবকদের ! উত্তর নেই নির্দেশিকায় !

তাই, বিশেষজ্ঞ মহলে কিন্তু প্রশ্ন উঠছে , যেখানে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হচ্ছে সেখানে সামাজিক ভিড় হতে পারে এমন উদ্যোগ কেনো !

Saturday, 16 November 2019

November 16, 2019

হিন্দি গানে নেচে তাক লাগলো প্রাথমিক পড়ুয়া - ভিডিও ভাইরাল

হিন্দি গানে নেচে তাক লাগলো প্রাথমিক পড়ুয়া - ভিডিও ভাইরাল

একবার দেখে নিন সেই নাচের ভিডিও

 
প্রাথমিক ছাত্রীর নাচ দেখলে আপনিও প্রশংসা না করে থাকতে পারবেন না, শিশু দিবসে স্কুলের ক্লাসরুমেই সহ পাঠিদের সামনে নাচের ভিডিও দেখলে আপনিও প্রশংসা না করে পারবেন না...

দেখুন সেই নাচের ভিডিও - 
যদিও অনেকে গান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বা নাক উঁচু ভাব দেখাচ্ছেন তবু সব বিতর্ক সরিয়ে রেখে শুধুমাত্র প্রতিভা দেখলে সে সব মাথায় না আসারই কথা.... 🙏

Saturday, 22 June 2019

June 22, 2019

ঐতিহাসিক সন্দিক্ষনে দাড়িয়ে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিলেন - পৃথা বিশ্বাস

এই মুহূর্তে সারা রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকেরা যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চান

উত্তর দিলেন আন্দোলনের নেত্রী -  পৃথা বিশ্বাস


দক্ষতা ও দৃঢ়তার সাথে, মুহূর্তের মধ্যে উত্তর দিলেন রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের  এই মুহূর্তের 5 টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের -
[ যে প্রশ্ন গুলি রাজ্যের অধিকাংশ প্রাথমিক শিক্ষক পাঠিয়ে ছিলেন জানার জন্য ]

আসুন, প্রথমে দেখে নেওয়া যাক কি সেই পাঁচটি প্রশ্ন -


ডিজিটাল বার্তা -  শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে আজ বৈঠক হচ্ছে কিনা?

ডিজিটাল বার্তা - বৈঠক যদি হয় তাহলে কি 24 জুন অর্থাৎ আগামীকাল কি আন্দোলন হবে আপনাদের?

ডিজিটাল বার্তা - শিক্ষা মন্ত্রী যদি আপনাদের PB 3 + 3600 স্কেলে উন্নীত করেন তাহলে কি আপনারা আন্দোলন তুলে নেবেন?

ডিজিটাল বার্তা - আমাদের রাজ্যের আপার প্রাইমারী স্কুলের বেতন PB3 + 4100, সেক্ষেত্রে কি আপনার মনে হয় আপনাদের দাবি মেনে নেবেন শিক্ষামন্ত্রী?

ডিজিটাল বার্তা - যদি আশানুরূপ কিছুই না হয় তাহলে আপনারা কি কি পদক্ষেপ নেবেন কলকাতায়?

দেখে নিন কি উত্তর দিলেন উনি - 


১। ডিজিটাল বার্তা -  শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে আজ বৈঠক হচ্ছে কিনা?
পৃথা বিশ্বাস - এখনও সঠিক বার্তা আসেনি শিক্ষা দপ্তর বা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রির তরফ থেকে ।

২। ডিজিটাল বার্তা - বৈঠক যদি হয় তাহলে কি 24 জুন অর্থাৎ আগামীকাল কি আন্দোলন হবে আপনাদের?
পৃথা বিশ্বাস - সেটা সম্পুন ভাবে বৈঠকের ওপর নির্ভর করছে । কারন - সেটা যদি সফল হয় এবং আমরা যদি পি আর টি স্কেল পাই , একমাত্র তখনই আমরা আন্দোলন বন্ধ করার কথা ভাবব , নচেৎ আন্দোলন হবেই ২৪ তারিখ অর্থাৎ আগামিকাল। 


৩। ডিজিটাল বার্তা - শিক্ষা মন্ত্রী যদি আপনাদের PB 3 + 3600 স্কেলে উন্নীত করেন তাহলে কি আপনারা আন্দোলন তুলে নেবেন?
পৃথা বিশ্বাস - এই বিষয়'টা এতটা সহজ নয় ! কবে থেকে দেবেন , কি কি দেবেন , কিভাবে দেবেন ইত্যাদি অনেকগুলি ফ্যাক্টর আছে ! অতয়েব আলোচনা চাই ।
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
২৪ জুনের ঐতিহাসিক শিক্ষক আন্দোলন সরাসরি লাইভ দেখার জন্য ও সরাসরি সমস্ত আপডেট আপনাদের ফেসবুকে পেতে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন ফেসবুক পেজ ডিজিটাল বার্তা -




--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
৪। ডিজিটাল বার্তা - আমাদের রাজ্যের আপার প্রাইমারী স্কুলের বেতন PB3 + 4100, সেক্ষেত্রে কি আপনার মনে হয় আপনাদের দাবি মেনে নেবেন শিক্ষামন্ত্রী?
পৃথা বিশ্বাস - আমাদের ন্যায্য আধিকার এটাই তাই এটাই আমাদের দাবী ।

৫। ডিজিটাল বার্তা - যদি আশানুরূপ কিছুই না হয় তাহলে আপনারা কি কি পদক্ষেপ নেবেন কলকাতায়?
পৃথা বিশ্বাস -  আপাতত এটাই বলতে চাই সুবোধ মল্লিক থেকে রাশমনি পর্যন্ত মিছিল ।




Tuesday, 7 May 2019

May 07, 2019

ছুটি - ছুটি বিতর্ক ! শিক্ষক সংগঠনের অতি সক্রিয়তা নাকি বিভ্রান্তিকর সরকারী নির্দেশ ! বিতর্ক কিছুতেই কাটিয়ে উঠতে পারছেন না শিক্ষকরা !

এবার ছুটিতে ,"ছুটি- ছুটি" বিতর্ক !!
দেখেনিন বিজ্ঞপ্তি কি বলে, সরকার কি বলছে আর শিক্ষকেরা কি চান !  


পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সারকারি , আধা সরকারী এবং সরকারী  সাহায্প্রাপ্ত  স্কুল গুলিতে তিমধ্যেই সরকার ছুটির নোটিশ জারী করে জানিয়ে দিয়েছে যে, পুনরায় কোন নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত স্কুলগুলি আগামী ২৯ শে জুন পর্যন্ত ছুটি থাকবে । শুরু হয় বিতর্ক ! অবশ্য বিতর্ক শিক্ষকদের মধ্যেই । শিক্ষকদের একাংশের মতে এই ছুটি কোনমতেই প্রয়োজন ছিল না এমনকি সরকারকে এক হাত নিতেও পিছপা নন তারা । পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন এর বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে গন আন্দোলনে যাবেন । কারন - হিসেবে ওনারা জানান যে, রাজ্যে এই মুহূর্তে ছুটির বিন্দুমাত্র পরিবেশ ছিল না । আর এমনিতেও এত ছুটি দিলে ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যসূচী কিভাবে শেষ হবে তাই নিয়ে চিন্তিত।


  • তবে, শিক্ষামন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ হলে উনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া মারফৎ  বিতর্কের অবসান ঘটাতে জানান যে, এই ছুটি তিন ধাপে কার্যকরী হবে । অর্থাৎ, ৩/০৫/২০১৯ - ০৪/০৫/২০১৯ ছুটি থাকবে ঘূর্ণিঝড়  ফনি এর জন্য , এবং তারপর ১৭/০৫/২০১৯ পর্যন্ত অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য স্কুল বন্ধ থাকবে আর তারপর ১৮/০৫/২০১৯ থেকে এমনিতেই রাজ্যের বিদ্যালয় গুলিতে গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকতো, এরপরের ছুটি' টা অর্থাৎ গ্রীষ্মের ছুটির পর থেকে আগামী ২৯/০৫/২০১৯ পর্যন্ত যে ছুটি সেটা রাজ্যের তাপমাত্রার কথা মাথায় রেখে পুনরায় বিবেচনা করে দেখা হবে এবং সেটা ছুটির নোটিশেও পরিস্কার ভাবে উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে । মন্ত্রির মতে,  তাহলে আর এত বিতর্কই বা কিসের ! 


তবে মন্ত্রী যাই বলুন, শিক্ষকদের  নিজেদের মধ্যে বিতর্ক আব্যাহত ! কোথাও বিতর্ক শিক্ষক- শিক্ষিকাদের  স্কুলে আসতে হবে কিনা ! কোথাও বিতর্ক ছুটি দেওয়া উচিৎ হয়েছে কিনা ! 
এমন অবস্থায়, শিক্ষকদের কিছু কিছু সংগঠন এক ধাপ এগিয়ে রাস্তায় আন্দোলনে নেমেছেন ছুটির বিরুদ্ধে এবং শিক্ষা দপ্তরে ডেপুটেশন দিয়েছেন। যদিও শিক্ষকদের একাংশ এই আন্দোলন বা ডেপুটেশন ভালো চোখে দেখছেন না ! 

আবার এই ভেদাভেদ প্রকট হয়েছে , ঘূর্ণিঝড় পেরিয়ে তাপমাত্রা আরও তেজী হওয়ার জন্য। অঞ্চল ভেদে আবার মতামত ভিন্ন - যেমন, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার তাপমাত্রা এমনিতেই রাজ্যের যেকোনো স্থানের চেয়ে বেশী থাকে তাই, শিক্ষকেরা এবং অভিভাবকরাও এই ছুটির পক্ষেই । কারন - বাঁকুড়া ,পুরুলিয়া বা বর্ধমান জেলার তাপমাত্রা এমনিতেই লাগামছাড়া হয়ে উঠে ।

তবে, হটাত কিছু কিছু শিক্ষক সংগঠন ছুটির বিরুদ্ধে এত সক্রিয় হয়ে উঠলেন কেন , সে প্রশ্ন ভাবাচ্ছে অবশ্যই। কারন সরকার তার বিজ্ঞপ্তিতেই জানিয়ে রেখেছেন পরিস্থিতি অনুযায়ী ছুটির নির্দেশিকা পরিবর্তন করা হতে পারে যেকোনো সময়।

পরিস্থিতি যাইহোক দেখা যাক , আন্দোলনের জেরে ছুটির কোন দিনক্ষণ পরিবর্তন হয় নাকি ছুটি তার  তার পূর্ব পরিকল্পনা মত চলতে থাকে ।



এই জাতীয় তথ্যের যাবতীয় আপডেট আপনাদের ফেসবুকে পেতে  লাইক করুন আপনাদের ফেসবুক পেজ ডিজিটাল বার্তা - 


Monday, 4 March 2019

March 04, 2019

আজব কমিশনের গাজব ফলাফলে হতবাক নেটিজেন থেকে সিটিজেন প্রত্যেকেই ! - প্রসঙ্গ রাজ্যের উচ্চপ্রাথমিক

আজব কমিশনের গাজব ফলাফলে হতবাক নেটিজেন থেকে সিটিজেন প্রত্যেকেই !
উচ্চ প্রাথমিকের দ্বিতীয় পর্যায়ের ফলাফল
" হয় আপনার তথ্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না , নাহয় আপনি কল পাননি ! "


ফলাফল যে এরকমও হতে পারে তা এর আগে বোধহয় জানা ছিলনা পশ্চিমবঙ্গবাসীর ! তাও আবার সেটা যখন শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা !

সোজা কথা, হয় আপনি পাস করেছেন অথবা আপনি ফেল ! কিন্তু , আপনার রেজাল্টে যদি উল্লেখ থাকে - " আপনি পাস ও ফেলের মধ্যবর্তী কোন এক পর্যায়ে আছেন " ! তাহলে এর অর্থ উদ্ধার করতে ভিরমি খাবেন শহরের তাবড় তাবড় ব্যাকরণবিদও ! আর ঠিক এমনই এক ভূতুড়ে ফলাফলের সাক্ষী থাকল রাজ্যের হাজার হাজার  বেকার শিক্ষিত চাকরি প্রার্থী । আর সেই কৃতিত্বের দাবিদার  - পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন !

এমনিতেই রাজ্যের সরকারী চাকরীর পরিস্থিতি বেহাল ! গত এক দশকে নিয়োগ প্রায় নেই বললেই চলে ! রাজ্যের শতকরা ৮০ ভাগ চাকরি প্রার্থীদের কাছে আশার একমাত্র আলো শিবরাত্রির সলতের মতো টিম টিম করে জ্বলতে থাকা এই স্কুল সার্ভিস কমিশন। কিন্তু সেই কমিশনও যদি রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদের সাথে এমন মস্করা করে তাহলে বলাই বাহুল্য ! 

প্রসঙ্গত, রাজ্যের উচ্চ প্রাথমিক স্কুল গুলিতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিসন ২০১৬ সালে। শেষমেশ ২-৩ টি বসন্ত পেরিয়ে প্রকাশ হয় তার প্রথম ধাপের  ফলাফল ,যার নিয়োগ এখনও সম্পন্ন হয়নি !
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
 এ জাতীয় খবরের যেকোনো আপডেট সরাসরি আপনার ফেসবুকে পেতে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন আপনাদের ফেসবুক পেজ - ডিজিটাল বার্তা 

এরপর কাশ্মিরে অনেক গোলাগুলি পেরিয়ে সেই উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের ফলাফল প্রকাশ করা হয় । আশায় বুক বাঁধে রাজ্যের চাকরি প্রার্থীরা । কিন্তু বাস্তবে যা দেখা গেলো তাতে শুধু আশাভঙ্গই  হলনা গ্রাস করল একরাশ হতাসাও ! 

রেজাল্টের যে লিঙ্ক দেওয়া হয়েছে তাতে নিজেদের এপ্লিকেশন আইডি ও জন্ম তারিখ দেওয়ার পর রেজাল্ট আসছে " হয় আপনার তথ্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না , নাহয় আপনি কল পাননি ! " যা দেখে রীতিমত তাজ্জব সকলেই । রেজাল্ট কি এরকমও হতে পারে ! 

রেজাল্টের মধ্যে ধরা পড়ছে অসংখ্য অসঙ্গতি ! প্রথমত, স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিজস্ব অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হল - www.westbengalssc.com  আর রেজাল্ট প্রকাশ যেখানে হয়েছে তার ওয়েবসাইট - www.wbssc.net
দ্বিতীয়ত, রেজাল্ট দেখার জন্য এপ্লিকেশন আইডি ও জন্ম তারিখ দেওয়ার পর রেজাল্ট আসছে - " হয় আপনি ডাক পাননি নাহয় আপনার তথ্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না " !

তৃতীয়ত, যে রেজাল্ট আসছে তাতে কোথাও পরীক্ষার্থীর নাম বা রোল নাম্বার বা ছবি বা  অন্য কোনপ্রকার কোন তথ্য আসছে না যা দেখে বোঝা যাবে যে এটা সেই নির্দিষ্ট পরীক্ষার্থীর ফলাফল।

চতুর্থত, কমিশনের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি রেজাল্ট সম্পর্কিত কোন তথ্য ! অর্থাৎ, কোন কোন বিষয়ে কতজন ডাক পেলেন দ্বিতীয় পর্যায়ে , কোন বিষয়ের কাট অফ নাম্বার কত , বা ফলাফলের কোন পিডিএফ তালিকা ! পুরোটাই যেন এক গোপন কাগজে মুড়ে রাখতে চাইছে কমিশন ! কিন্তু কেন !? 

একজন পরীক্ষার্থীর অধিকারের মধ্যে পড়ে সেই পরিক্ষায় কে কে পাস করল তার তালিকা দেখা , ফলাফলের কাট অফ নাম্বার জানা তথা একটি নির্দিষ্ট ফলাফল - " পাস/ফেল " ( হয় পাস করেননি নচেৎ আপনার তথ্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এটা বর্তমান একবিংশ শতাব্দীর সেরা মস্করা হতে পারে রেজাল্ট হতে পারে না !  আর তথ্য যদি খুঁজে পাওয়া না যায় তার দায়ও কমিশন কোনমতেই এড়াতে পারে না । সেক্ষেত্রেও তার জবাবদিহি করতে হবে কমিশনকে  ) 

শুধু তাই নয় , আপনি আপনার এপ্লিকেশন আইডি এর পরিবর্তে সাপ , ব্যাং , ভুত আর জন্ম তারিখের পরিবর্তে হ য ব র ল যা খুশী বসান সব এক্সেপ্ট করে নেবে সার্ভার ! আর ফলাফল দেখাবে একই ! 

তাই, এই ফলাফলকে সর্ষের মধ্যে ভুত হিসেবেই দেখছেন চাকরী প্রার্থীরা ! মিনিমাম তথ্যটুকু রাখা হয়নি এই ফলাফলে । এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া তে ঘোরা ফেরা করছে বেশ কিছু "পাস" করা প্রার্থীর বিস্তারিত তথ্য- যাতে দেখা যাচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশী নাম্বার পাওয়া প্রার্থীরা ডাক পাননি !! 

তাই, এই ফলাফল দেখে রীতিমত হতাশ রাজ্যের চাকরি প্রার্থীরা । এমনকি , প্রথম ধাপে ডাক পাওয়া প্রার্থীরাও কিছুটা শঙ্কায় ও বিরক্তিতে কারন - এই ভূতুড়ে রেজাল্ট এর পর কোন প্রার্থী যদি কেস করেন ও পুরো নিয়োগ যদি আটকে যায় আবার ! 

যদিও কমিশনের তরফ থেকে এ ব্যাপারে কোন উচ্চ বাচ্য নেই । এক আশ্চর্য রকম নিরবতা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন কমিশনের ছোট, বড় মেজ প্রত্যেকেই । 

Thursday, 7 February 2019

February 07, 2019

‘‘আমরা আল্লার প্রার্থনা করি। বন্দেমাতরম মানে ভারতের বন্দনা বা পুজো করা। যা আমাদের ধর্মবিশ্বাসের বিরোধী। সংবিধানের উচিত নয় এই গান গাওয়া বাধ্যতামূলক করা।’’

‘‘আমরা আল্লার প্রার্থনা করি। বন্দেমাতরম মানে ভারতের বন্দনা বা পুজো করা। যা আমাদের ধর্মবিশ্বাসের বিরোধী। সংবিধানের উচিত নয় এই গান গাওয়া বাধ্যতামূলক করা।’’- বিহারের শিক্ষক 
বিহারের সেই শিক্ষক ,  ছবি - সোশ্যাল সাইটের সৌজন্যে 

প্রজাতন্ত্র দিবস পালনের অনুষ্ঠানে সারা দেশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ‘জন গণ মন’, ‘বন্দেমাতরম’ এই দেশাত্মবোধক গান গাওয়া হয়ে থাকে। ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবকরাও গলা মেলান। কিন্তু বিহারের কাটিহার জেলার একটি প্রাথমিক স্কুলে এ বারের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘বন্দেমাতরম’ গাইতে অস্বীকার করলেন সেই স্কুলের শিক্ষক আফজল হুসেন।
প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলনের পরেই এই ঘটনা ঘটায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ওই স্কুলে। সেই সময় সেখানে উপস্থিত অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজন তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই শিক্ষক।
‘বন্দেমাতরম’ না গাওয়া নিয়ে নিজের যুক্তিও দিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক আফজল। তিনি বলেছেন, ‘‘আমরা আল্লার প্রার্থনা করি। বন্দেমাতরম মানে ভারতের বন্দনা বা পুজো করা। যা আমাদের ধর্মবিশ্বাসের বিরোধী। সংবিধানের উচিত নয় এই গান গাওয়া বাধ্যতামূলক করা।’’
এই ঘটনার পরই বিতর্ক ছড়িয়ে সারা বিহার জুড়ে। বিহারের শিক্ষামন্ত্রী দীনেশচন্দ্র দেব বলেছেন, ‘‘এ রকম ঘটনা যদি ঘটে থাকে তাহলে নিশ্চিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রীয় সঙ্গীতের অপমান কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।’’