Digital Barta

Digital Barta - An online news portal 24Hours at your service. Here we Value the Genuine news only.

Don't Miss! Grab the Deal Now

Breaking

Showing posts with label USTHI. Show all posts
Showing posts with label USTHI. Show all posts

Saturday, 22 June 2019

June 22, 2019

ঐতিহাসিক সন্দিক্ষনে দাড়িয়ে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিলেন - পৃথা বিশ্বাস

এই মুহূর্তে সারা রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকেরা যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চান

উত্তর দিলেন আন্দোলনের নেত্রী -  পৃথা বিশ্বাস


দক্ষতা ও দৃঢ়তার সাথে, মুহূর্তের মধ্যে উত্তর দিলেন রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের  এই মুহূর্তের 5 টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের -
[ যে প্রশ্ন গুলি রাজ্যের অধিকাংশ প্রাথমিক শিক্ষক পাঠিয়ে ছিলেন জানার জন্য ]

আসুন, প্রথমে দেখে নেওয়া যাক কি সেই পাঁচটি প্রশ্ন -


ডিজিটাল বার্তা -  শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে আজ বৈঠক হচ্ছে কিনা?

ডিজিটাল বার্তা - বৈঠক যদি হয় তাহলে কি 24 জুন অর্থাৎ আগামীকাল কি আন্দোলন হবে আপনাদের?

ডিজিটাল বার্তা - শিক্ষা মন্ত্রী যদি আপনাদের PB 3 + 3600 স্কেলে উন্নীত করেন তাহলে কি আপনারা আন্দোলন তুলে নেবেন?

ডিজিটাল বার্তা - আমাদের রাজ্যের আপার প্রাইমারী স্কুলের বেতন PB3 + 4100, সেক্ষেত্রে কি আপনার মনে হয় আপনাদের দাবি মেনে নেবেন শিক্ষামন্ত্রী?

ডিজিটাল বার্তা - যদি আশানুরূপ কিছুই না হয় তাহলে আপনারা কি কি পদক্ষেপ নেবেন কলকাতায়?

দেখে নিন কি উত্তর দিলেন উনি - 


১। ডিজিটাল বার্তা -  শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে আজ বৈঠক হচ্ছে কিনা?
পৃথা বিশ্বাস - এখনও সঠিক বার্তা আসেনি শিক্ষা দপ্তর বা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রির তরফ থেকে ।

২। ডিজিটাল বার্তা - বৈঠক যদি হয় তাহলে কি 24 জুন অর্থাৎ আগামীকাল কি আন্দোলন হবে আপনাদের?
পৃথা বিশ্বাস - সেটা সম্পুন ভাবে বৈঠকের ওপর নির্ভর করছে । কারন - সেটা যদি সফল হয় এবং আমরা যদি পি আর টি স্কেল পাই , একমাত্র তখনই আমরা আন্দোলন বন্ধ করার কথা ভাবব , নচেৎ আন্দোলন হবেই ২৪ তারিখ অর্থাৎ আগামিকাল। 


৩। ডিজিটাল বার্তা - শিক্ষা মন্ত্রী যদি আপনাদের PB 3 + 3600 স্কেলে উন্নীত করেন তাহলে কি আপনারা আন্দোলন তুলে নেবেন?
পৃথা বিশ্বাস - এই বিষয়'টা এতটা সহজ নয় ! কবে থেকে দেবেন , কি কি দেবেন , কিভাবে দেবেন ইত্যাদি অনেকগুলি ফ্যাক্টর আছে ! অতয়েব আলোচনা চাই ।
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
২৪ জুনের ঐতিহাসিক শিক্ষক আন্দোলন সরাসরি লাইভ দেখার জন্য ও সরাসরি সমস্ত আপডেট আপনাদের ফেসবুকে পেতে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন ফেসবুক পেজ ডিজিটাল বার্তা -




--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
৪। ডিজিটাল বার্তা - আমাদের রাজ্যের আপার প্রাইমারী স্কুলের বেতন PB3 + 4100, সেক্ষেত্রে কি আপনার মনে হয় আপনাদের দাবি মেনে নেবেন শিক্ষামন্ত্রী?
পৃথা বিশ্বাস - আমাদের ন্যায্য আধিকার এটাই তাই এটাই আমাদের দাবী ।

৫। ডিজিটাল বার্তা - যদি আশানুরূপ কিছুই না হয় তাহলে আপনারা কি কি পদক্ষেপ নেবেন কলকাতায়?
পৃথা বিশ্বাস -  আপাতত এটাই বলতে চাই সুবোধ মল্লিক থেকে রাশমনি পর্যন্ত মিছিল ।




Sunday, 16 December 2018

December 16, 2018

"ওদের দাবী আকাশছোঁয়া, তাইতো তাদের মারতে যাওয়া !! " - সশস্ত্র আক্রমন পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের ওপর!

"ওদের দাবী আকাশছোঁয়া, তাইতো তাদের মারতে যাওয়া !! " - সশস্ত্র  আক্রমন পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের ওপর! 


ডিজিটাল বার্তা' আগেই জানিয়েছিল প্রথমিক শিক্ষকদের PRT স্কেল সম্পর্কে সরকারের মনোভাব কি !?এবং জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে , এই মুহূর্তে কোনোভাবেই সরকার পক্ষ শিক্ষকদের এই দাবী মানতে নারাজ। আর অন্যদিকে উস্থির ক্রমাগত আন্দোলনের চাপে সরকারের অবস্থা না ধরি না ফেলতে পারি!!  কারন- সংগঠন টি মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই নিজেদের দাবীর সপক্ষে রাজ্য রাজনিতিতে সাড়া ফেলেছে। ডান-বাম সকলকেই নিজেদের দাবীর স্বপক্ষে নিয়ে এসেছেন। এমনকি বয়কট হয়েছে বিধানসভা পর্যন্ত ।

উস্থির এই দ্রুত উত্থান অনেকের কাছে চোখের বালি হয়ে দাড়ায় ! প্রথমদিকে উস্থিকে বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ ছিলেন রাজ্যের সরকার । তারপর ঘরোয়া আলোচনায় আসছিল উস্থি । এরপর , আর চুপ থাকতে পারেনি রাজ্যের শাসক দল। তড়িঘড়ি উস্থির পাল্টা হিসেবে  নিজেদের সংগঠনকে চাঙ্গা করতে নজরুল মঞ্চে খোদ শিক্ষামন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃনমূল  প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রথম সম্মেলনের আওাহান জানান।
কিন্তু, কোথাও কোন ফল না হওয়ায় , ঠিক হয় কিভাবে আন্দোলনকে দমিয়ে দেওয়া যায় !! সে কথা আগেই ডিজিটাল বার্তা তে প্রকাশ করা হয়েছিল - " সরকার পক্ষ এখন দেখার অপেক্ষায় যে , আন্দোলন কতদিন টিকে থাকে !"
            এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-              
আর তাই, আন্দোলন থামাতে এবার একেবারে নির্লজ্জ পদক্ষেপ নেওয়া হল স্থানীয় ভাবে। সমাজ বিশেষজ্ঞ দের মতে এটা - " কোন আন্দোলনকে থামানোর একেবারে অন্তিম পর্যায়। কারন- পাল্টা সভা সমাবেশ, ধমক চমক, চাকুরিগত হুমকিতে যখন কাজ হয়নি তখন জানায় ছিল শেষ পর্যায়ে নামবে এই আন্দোলন থামানোর কৌশল!! তবে শিক্ষকদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলন থামাতে যে এই ঘৃণ্য ও চূড়ান্ত নোংরামির পথ কেও বেছে নিতে পারেন টা একেবারেই ভাবার বাইরে ছিল !!" 
 তবে প্রাথমিক শিক্ষকদের উপর এই সসস্ত্র হামলার  প্রতিবাদ জানিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানের মধ্যেই ঐক্যবন্ধ আন্দোলেনে পা মেলালেন রাজ্যের কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষক৷ রবিবার ছুটির দিনে কলকাতা শহরের রাজপথের দখল নিলেন প্রাথমিক শিক্ষকেরা । শনিবার প্রাথমিক শিক্ষকদের উপর দুষ্কৃতী হামলার প্রতিবাদে আজ শিয়ালদহ থেকে রাজা সুবোধ মল্লিক স্কয়ার পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেয় উস্তি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন বা UUPTWA৷ প্রায় হাজারখানিক প্রাথমিক শিক্ষক মিছিলে অংশ নিয়ে গোটা ঘটনার প্রতিবাদ জানান৷ প্রতিবাদ মিছিল থেকে সরকার পরিবর্তনেরও ডাক দেওয়া হয় বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে৷


আর একটি আরাজনইতিক সংগঠনের তরফে রাজধানীর বুকে মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যাবধানে ধিক্কার মিছিল করে দেখান মুখের কথা নয়। তাই, বিশেষজ্ঞদের মতে , এই পর্যায়ে এসে আন্দোলন হয় ভেঙ্গে যাওয়ার দিকে এগোয় নাহয় অন্যকে ভাঙ্গার দিকে এগোয় ! আজকের মিছিলে পা মেলান শিক্ষক শিক্ষিকাদের মনোভাব দেখে তো মনে হচ্ছে ওনারা দ্বিতীয় পথেই এগোচ্ছেন । এবার সময় প্রমান দেবে বাকিটা।



LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 

Saturday, 8 December 2018

December 08, 2018

পাস গ্র্যাজুয়েটদের TGT স্কেল আর প্রাথমিক শিক্ষকদের PRT স্কেল ! একটা ড্যামেজ কন্ট্রোলে পাস, আর অন্যটা বাধ্যবাধকতায় আটকে !! - বর্তমান পরিস্থিতি

পাস  গ্র্যাজুয়েট'দের  TGT স্কেল  আর প্রাথমিক শিক্ষকদের PRT স্কেল ! - বর্তমান পরিস্থিতি 

"একটা ড্যামেজ কন্ট্রোলে পাস আর অন্যটা বাদ্ধবাধকতায় আটকে "


একদিকে বছর শেষ হলেই শুরু হবে  লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি আর অন্যদিকে নতুন বছরে আসতে চলেছে পে-কমিশন আর তার মাঝে  চলছে সরকারের সাথে শিক্ষকদের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে দড়ি টানাটানি ! সেই রাজকুমার রাও মৃত্যুর থেকে চলছে একের পর এক ঘটনাপ্রবাহ ! আর বর্তমানে মাধ্যামিক স্কুলের পাস ক্যাটাগরির শিক্ষক দের দাবী আদায়ে আন্দোলনরত হয়েছে - বেঙ্গল ট্রেন্ড গ্র্যাজুয়েট টিচার  আর অন্যদিকে রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের দাবী আদায়ে সোচ্চার হয়েছে -  প্রাথমিক শিক্ষকদের সংগঠন উস্থি !

এই দুই নিয়ে শিক্ষা দপ্তরে এখন আলাপ আলোচনা চলছে । কিন্তু , সুত্রের খবর অনুযায়ী পাস ক্যাটাগরির শিক্ষকদের নিজেদের দাবী আদায়ে বিশেষ কিছু বেগ পেতে হয়ত হবেনা । কারন - এমনিতেও কোর্ট কেস তাদের অনুকুলে আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার সরকারও চাইছে তাদের দাবী মিটিয়ে দিতে ! হ্যাঁ , এমনটাই হতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। 


LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 

তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় ? পাস ক্যাটাগরির শিক্ষকদের দাবী মানা হলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে কেন মানা হবে না !! তবে কি সরকার প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা করে চলার মনোভাব নিচ্ছে !! ?
ব্যাপার'টা তেমন না ! এক কথায় বলতে গেলে পাস ক্যাটাগরির শিক্ষকদের দাবী পূরণ করা হল - " সরকারের ড্যামেজ কন্ট্রোল " আর প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবী এই মুহূর্তে না মেটানোর মনোভাব হল - "সরকারের বাধ্যাবাধকতা " !!


একটু তলিয়ে দেখা যাক ব্যাপারখানা -
প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে শিক্ষা দপ্তর যথেষ্ট সহানুভূতিশীল হলেও , যা খবর তাতে এই মুহূর্তে কিচ্ছুটি করার নেই । অর্থাৎ, ইচ্ছে থাকলেও উপায় নেই অবস্থা ! কারন পাস গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সরকার সহজেই মেনে নিচ্ছেন তাদের দাবী দাওয়া কারন একটাই- এক্ষেত্রে তাদের দাবী মেনে নিলে একদিকে যেমন ভোটের আগে শিক্ষকদের একাংশ কে বার্তা দেওয়া যাবে যে সরকার সমস্ত শিক্ষকদের প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতিশীল আর পাওয়া যাবে প্রচারের রসদও ।

তাছাড়া TGT স্কেল  ও  PRT স্কেল এদের মধ্যে  বড় তফাৎ হল - টাকার অঙ্ক! কারন- প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবী সরকার মেনে নিলে এক মুহূর্তে সরকারের খরচ বেড়ে যাবে বহুগুন কিন্তু পাস গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের দাবী মানলে অল্প টাকাতেই সমস্যা মিটবে আর ভোটের আগে একটা মাইলেজ পাওয়া যাবে বাড়তি।
তাহলে কি প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবী মিটবে না !? আসলে , সরকার হয়ত প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবিও মিটিয়ে দিত যদি এখেত্রেও টাকার অঙ্কটা কম হত! আর এই মুহূর্তে সরকারের প্রায় ঘাড়ের কাছে শ্বাস  ফেলছে পে-কমিশন ! আর কোনোভাবেই টাল বাহানা করে পে-কমিশন পিছানো প্রায় অসম্ভব ! এই পে-কমিশন হল সরকারের বাধ্যবাধকতা আর এই পে-কমশন'ই হল PRT  স্কেলের পথে একমাত্র বাধা !

আর ঠিক এই খানেই সরকার পক্ষ আর আন্দোলনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের দড়ি টানাটানি । কারন- শিক্ষক - শিক্ষিকারা চাইছেন যে ভাবেই হোক পে- কমিশন এর আগে নিজেদের দাবী আদায় করতেই হবে , একমাত্র তাহলেই নিজেদের বেনিফিট পাওয়া যাবে পে- কমিশন এ। আর উল্টোদিকে সরকারকে  এমনিতেই সামনের বছর থেকে পে-কমশনের বোঝা বইতে হবে তাই, এই PRT  এর বাড়তি  বিপুল অঙ্কের বোঝা বয়তে  নারাজ ! এবার সময় বলবে সরকারের সাথে দড়ি টানাটানি খেলায় দড়ি কার দিকে থাকবে, কারন - আন্দোলনরত প্রাথমিক শিক্ষকরাও কিন্তু হাল ছাড়তে নারাজ !

এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-


LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 

তবে একটাই আশা যে , ভোটের আগে সরকার ও  প্রাথমিক শিক্ষকদের কোনোরকম ভাবে চটাতে চান না ! কারন - উস্থি নামক সংগঠন এমনিতেই রাজ্যের প্রায় সমস্ত শিক্ষক - শিক্ষিকাদের নিজেদের পক্ষে আনতে সমর্থ আর তাদের এই বিপুল সমর্থন এই তাদের শক্তি । আর চটাতে চান না বলেই উস্থির অন্য যে দাবী ছিল - "প্রাথমিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষকরা চাঁদা দেবেন না " - তা সরকার কিন্তু এক বাক্যেই মেনে নিয়েছেন এবং বাড়তি টাকা বরাদ্দ ও করা হয়েছে প্রাথমিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য দাবী মত ।

তবে সরকার আর শিক্ষা দপ্তরের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত কিছু একটা মাঝামাজি মধ্যস্থতা যদি  করা যায় !
এখন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে । সরকারের মনোভাব যদি দিতেই হয় তাহলে শেষ মুহূর্তে ! যদিও এই শেষ মুহূর্ত কি !? তা আর বিস্তারিত জানাতে নারাজ !
যদিও অনুমান করা যাচ্ছে , পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা বা শেষ মুহূর্ত বলতে আন্দোলনের গতি প্রকিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারে ! তবে তার আগে আন্দোলন কিভাবে দমিয়ে দেওয়া যেতে পারে রাজনৈতিক ভাবে সেই চেষ্টা আপ্রান করা হবে । আর সেই চেষ্টার প্রমান বিক্ষিপ্ত ভাবে দেখা দিতে শুরু করেছে বিভিন্ন জেলাতে! কোথাও ভীতি প্রদর্শন তো কোথাও সরাসরি ব্যাক্তি আক্রমন বা কুৎসা রটানো !!  এমনটাই দপ্তরের অলিন্দে ঘোরাফেরা করছে !!



Saturday, 24 November 2018

November 24, 2018

শিক্ষক আন্দোলনের গতকাল আর আগামীকাল :

শিক্ষক আন্দোলনের গতকাল আর আগামীকাল ....
আজ মাঝের ২৪ ঘণ্টা 

মাঝখানে ব্যবধান 24 ঘন্টা!! তারপরেই শিক্ষক মহল মনে করছেন সরকারের মনোভাব অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে...


গতকাল UUPTWA এর ব্যানারে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকেরা কলকাতায় ধিক্কার মিছিল ও সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন আর আগামীকাল অর্থাৎ 25 নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রী বসবেন তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন এর সাথে....

যদিও আলোচ্য বিষয় কি তা পরিষ্কার ভাবে জানা যায়নি.. তবে সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রতিটি জেলার তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষা সেলের জেলার নেতৃত্ব..
তবে এই আলোচনা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বিভিন্ন দিক দিয়ে....কারণ -

এক দিকে UUPTWA এর ক্রমবর্ধমানতা..
আর অন্য দিকে দলের ভেতরেও মৃদু স্বর ভেসে আসছে  যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য বেতনের দাবীতে ।

কোলকাতা সুবোধ মল্লিক স্কয়ার থেকে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত মিছিল 
এমনিতেও সরকারের তরফে  প্রাথমিক শিক্ষকদের কাজ বলতে কিছুই হয়নি ! বিভিন্ন জেলাতে দূরবর্তী অঞ্চলের শিক্ষকেরা বাড়ি থেকে প্রায় ৮০-১২০ কিমি দূরে ,১০-১২ বছর ধরে কাজ করে গেলেও আজ পর্যন্ত না সরকার না সরকারী সঙ্ঘটন !! কেও উচ্চবাচ্য কিছুই করেনি ।
অথচ, মাঝে মধ্যে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ১-২ বছর কাজ করেও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই কেও কেও নিজের পছন্দ মত স্থানে বদলি হচ্ছেন !!

কেবলমাত্র একটি কাজ সরকারী সঙ্ঘটন ঠিক সময় নিয়ম মেনে করে থাকে তা হল- মেম্বেরদের কাছ থেকে বাৎসরিক চাঁদা আদায় !!
ধীরে ধীরে দেওয়ালে পিঠ থেকতে শুরু করেছিল আর তারই বহিপ্রকাশ UUPTWA  এর প্লাটফর্ম।

তাই, একপ্রকার নিজেদের শিক্ষক সংগঠন  কে ঝালিয়ে নেওয়ার জন্যই এই ২৫ তারিখের আয়োজন বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষণকারীদের । আর , সামনে ভোট ! তাই, সরকার এবং বিরোধী উভয় পক্ষই চাই এই বিপুল পরিমান প্রাথমিক শিক্ষকদের নিজেদের পাশে পেতে। তাই, বিরোধী নেতারাও যেমন পাত্তা দিতে বাধ্য হচ্ছেন UUPTWA কে ঠিক তেমনি সরকারও আর অবহেলা করতে পারছেনা ।

তবে ঘনিষ্ঠ মহলের মতে , UUPTWA  এর যা দাবী তা ন্যায্য দাবী হলেও ,সরকারের পক্ষে এখন তা কার্যকর করার সম্ভবনা খুব ক্ষীণ , কারন- এমনিতেই সামনের বছরেই দিতে হবে পে-কমিশন ! আর টালবাহানা করে ফেলে রাখা যাবে না ।
অন্যদিকে UUPTWA  নিজেদের ন্যায্য দাবী আদায়ে মোক্ষম সময়ে যে ভাবে আন্দোলনের ধার দিন দিন যেভাবে বাড়িয়ে চলেছে তাতে সরকার পক্ষ বেকায়দায় !! প্রথমদিকে কিছুটা হালকা ভাবে নিলেও এবার দলীয় আলোচনায় উঠে আসছে UUPTWA  প্রসঙ্গ।


সরকারের  সমস্যা বেড়েছে মূলত ২ টি কারনে
- এক, বাইরে স্বীকার না করলেও ওনারা জানেন যে শিক্ষকদের দাবিদাওয়া ন্যায্য আর দুই, এটা শিক্ষকদের সংগঠন, তাই মনভোলানো কথায় ভুলিয়ে রাখাটা কিছুটা রিস্ক হতে পারে সামনের ভোটে ! কারন- সরকার এমনিতেই চাই যাতে প্রাথমিক শিক্ষকেরা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি যাতে সাধারন মানুষের মধ্যে তুলে ধরেন।
তাই, UUPTWA  এখন গলায় আটকে, না ফেলতে পারছেন না গিলতে পারছেন। 
তাই ,আগামিকাল ২৫ নভেম্বরের সভা থেকে কিছুটা ড্যামেজ কন্ট্রোল বা একটা শেষ চেষ্টা করা হবে শিক্ষকদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার মাধ্যমে।
২৫ নভেম্বরের নজ্রুল মঞ্চ থেকে পরিস্থিতি  কিছুটা বাগে আনার চেষ্টা করা হবে মাত্র। সেখানে শিক্ষকদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হবে। আর , আশ্বাস দেওয়া হবে - শিক্ষকদের দাবিদাওয়া নিয়ে সরকার ভাবছে ! যদি কিছু কাজ হয় । এবং জেলার নেতৃত্বরাও জেলার শিক্ষকদের গিয়ে বলতে পারবেন যে সরকার ভাবছে শিক্ষকদের কথা - আপনারা পাশে থাকুন !!

সম্বরধনা দেওয়া হচ্ছে ২৯-৩৯ অক্টোবর এ গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষকদের 

যাইহোক, নজ্রুল মঞ্চ থেকে সরাসরি আপডেট পেতে চোখ রাখুন - www.digitalbarta.in  অথবা , লাইক করুন আপনাদের ফেসবুক পেজ - DIGITAL BARTA
_________________________________________________________________________________

কালকের শিক্ষামন্ত্রী'র সাথে বৈঠকের তৎক্ষণাৎ আপডেট পেতে সঙ্গে থাকুন আর লাইক করুন আমাদের Digital Barta​ 💐 ফেসবুক পেজ........


এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-

LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 
_________________________________________________________________________________
READ : HEART BREAKING TRUTH OF SENTINEL TRIBE IN NORTH ANDAMAN ISLAND
______________________________________________________________________________

Thursday, 1 November 2018

November 01, 2018

উস্থি আর বিজেপি !! জোড়া চাপে TMC !! উস্থি কে থামাতে রণকৌশল নির্ধারিত ...... নির্দেশ গেলো জেলায় জেলায় ...।

'উস্থি' কে থামাতে রণকৌশল নির্ধারিত ...... নির্দেশ গেলো জেলায় জেলায় ...। 

উস্থি আর বিজেপি !! জোড়া চাপে TMC !!


পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বঞ্চনা দীর্ঘদিনের। সেই বেতন বঞ্চনার ইতি টানতে মাত্র কয়েক মাস আগেই গঠন হয়েছে উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফারে অ্যাসোসিয়েশান , সংক্ষেপে 'উস্থি' বা UUPTWA  ।

আর এই কয়েকমাসের মধ্যেই উস্থি কপালে ভাঁজ ফেলেছে শাসকগোষ্ঠীর । মাত্র কিছুদিনের  মধ্যেই কোলকাতার বুকে তারা দু'দুটি বিশাল আকারের জমায়েত করে ইতিমধ্যেই নিজেদের শক্তির পরিক্ষায় স্বসম্মানে উত্তীর্ণ । তবে , শাসকগোষ্ঠী এর আগে তেমন একটা উচ্চ-বাচ্চ্য না করলেও , ৩০ অক্টোবর এর শিক্ষক আন্দোলনের পর UUPTWA কে  আর হালকা ভাবে নিতে নারাজ !
কারন- ৩০ তারিখের শিক্ষক আন্দোলনে হাজির ছিলেন একাধিক হেভি ওয়েট রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ! তবে, শিক্ষকদের আন্দোলন বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনে মঞ্চে হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি - দীলিপ ঘোষ । যা TMC নেতৃত্বের কাছে যথেষ্ট উদ্বেগের ! 
FACEBOOK PAGE- CLICK

CLICK & UPDATE ALWAYS



কারন - এমনিতেই  দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ , ঝুলে থাকা পে কমিশন , শিক্ষক নিয়োগ আটকে থাকা , শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি সহ বদলি থেমে থাকা ইত্যাদি নানান কারনে সরকারী কর্মচারী থেকে শুরু করে সরকারের বেতনভোগী প্রায় প্রতিটি দপ্তর সরকারের  প্রতি বিদ্বেষ ভাবাপন্ন , তার সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য বেতনের দাবীতে আন্দোলন তথা 'উস্থি'।  

TMC  নেতৃত্ব ভালোভাবেই জানেন যে , এই প্রাথমিক শিক্ষকদের একটা বড় অংশ যদি সরকারের প্রতি বিরুপ থাকে তাহলে আগামী নির্বাচনে সমস্যাই পড়তে পারে দল। তাই, প্রথম দিকে বিশেষ গুরুত্ব না দিলেও , আর চুপ থাকতে চাইছে  না দল।
সেই কারনে উস্থি কে থামাতে বা ভাঙন ধরাতে নেওয়া হয়েছে দ্বিমুখী রণকৌশল। এক - পার্টী গত ভাবে আর দুই সরকারী ভাবে।

পার্টী গত ভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি জেলার তৃনমূল  প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতিদের যাতে জেলাতে উস্থি কোনোভাবেই সক্রিয় না হতে পারে। সেই নির্দেশ পৌঁছে গেছে চক্র স্তর পর্যন্ত। আর তাই, বিভিন্ন জায়গায় চক্র স্তরে উস্থিতে যোগদানকারী শিক্ষক - শিক্ষিকাদের প্রতি সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে!! 

এমন কি এ সপ্তাহে বিভিন্ন জেলাতে শুরু হয়েছে  TMC দলের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মিলনি । সেখানেও বাদ যাচ্ছেনা উস্থি প্রসঙ্গ।
========================================================================

জানুন আপনার GST  আর ঠকা থেকে দূরে থাকুন 

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আর সরকারিভাবে আন্দোলনের দিন থেকেই খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করে দিয়েছিলেন যে, কাজের দিনে এত শিক্ষক একসাথে কিভাবে জমায়েত হতে পারল !!?

এবং আগামিদিনে যাতে শিক্ষকরা কোনোভাবেই একসাথে জমায়েত হতে না পারেন সেই বাপ্যারে ভাবনা চিন্তা শুরু হয়ে গেছে। 
তবে, আপাতত বিষয়টি পার্টি লেভেলই সমাধান করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-
FACEBOOK PAGE- CLICK

Wednesday, 31 October 2018

October 31, 2018

শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া - বিরোধী - গ্রেপ্তার - অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন !! আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারাও

শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া -  বিরোধী - গ্রেপ্তার -  অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন  !!

 আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারা

আবেগ ধরা অসম্ভব তবু চেষ্টা মাত্র - ডিজিটাল বার্তা 


শহিদ মিনার, কোলকাতা , ৩০ শে অক্টোবর ঃ কিভাবে ব্যাখ্যা করব এই ঘটনা জানা নেই......। চোখে দেখা দৃশ্য কে কিভাবে সঠিক রুপ দেবো বুঝে উঠতে পারছি না । এমন আবেগ, এমন দৃঢ়তা , এমন বজ্র কঠিন সঙ্কল্প , এমন কারাবরন , এমন স্বতস্ফুরত অংশগ্রহণ এর আগে দেখার সৌভাগ্য হয়নি।  

গতকাল থেকে অপেক্ষা করে করে ভাবছি কি হেডলাইন দেবো !! কি লিখলে যোগ্য সম্মান দেওয়া হবে শিক্ষিকাদের এমন কারাবরনের !! কি করলে সঠিক খবর , সঠিক বার্তা পৌঁছবে সমাজের কাছে !! তাই ভেবে চলেছি !!

না, আমার ভাবার কিছু ছিলনা , অনায়াসে লিখে দিতে পারতাম - " বিরোধীরা একই মঞ্চে এসে সরকারকে তুলোধোনা করল " অথবা, অন্যসব নিউজ পোর্টাল এর মত বলতে পারতাম - " শিক্ষকদের একাংশের বেতন বৃদ্ধির জন্য পথ অবরোধ করে আন্দোলন" !! আর নাহয় একটা ছবি তুলে  ক্যাপশন দিতে পারতাম - " শিক্ষকদের আন্দোলনে পথচারিদের আসুবিধে " !!

কিন্তু, সেরকম হলে তো সঠিক হত না ......... প্রাপ্য সম্মান কি দেওয়া হত মাননীয় শিক্ষকদের !!
কাল যেন ইতিহাস'কে পথে নামতে দেখলাম । উপলব্ধি করলাম হাজার হাজার মাস্টারদা উঠে এসেছেন ইতিহাস থেকে ডোরিনা ক্রসিং এ। 

রবীন্দ্রনাথ  ঠাকুরের সেই কালজয়ী দুই লাইন মনে পড়ছিল আন্দোলনরত শিক্ষক -শিক্ষিকাদের দেখে - " চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ সেথা শির" । আর তাই, শেষ পর্যন্ত কারাবরন করা শিক্ষক -শিক্ষিকারা  নিজেদের শির উঁচু করে পুনরায় ফিরে এলেন লক আপ থেকে । 
-- সেই ইতিহাসের সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং ।



সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং - যখন পথচারিরা অবাক বিস্ময়ে দেখছে শিক্ষকদের আবেগ মাখা আন্দোলন ।
পথচারীদের কথায় - " কোলকাতা আন্দোলন তো প্রায় রোজই দেখে  , কিন্তু নিজেদের বঞ্চনার জন্য শিক্ষক মহাশয়দের এই আন্দোলন অন্যতম , অভিনব ও সমাজের প্রতি যথেষ্ট ঈঙ্গিতবাহী !!"

সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং,  যখন গ্রেপ্তার হচ্ছেন বেলা সাহা, নাফিসা, চন্দন , মইদুল, শাশ্বত, পৃথা ......, তখন শহিদ মিনারে প্রস্তুত আছেন আরও হাজার হাজার বেলা, চন্দন, মইদুল পৃথা !! 

আর আমাদের বড় বড় স্বনামধন্য মিডিয়া তখন ব্যাস্ত আছেন এটাকে পথচারীদের আসুবিধে দেখাবেন নাকি বিপর্যস্ত জনজীবন নাম দেবেন !! নাকি আর একটু অপেক্ষা করবেন ওপর থেকে ফোনে কি লেখার অর্ডার আসে সেই জন্য !!

পুলিশ এর ভুমিকা বিশেষ কি বলার থাকতে পারে ! কারন - ট্রেনিং নেওয়ার সময় ওনারা এক প্রতিজ্ঞা করেন আর বাস্তব সম্পূর্ণ আলাদা হয় !! আসলে ওনাদের দোষ দিয়েও বিশেষ কিছু লাভ নেই , চিরকাল তো এটাই জানি -  ক্ষমতা ধারী ,পকেট ভারী আর না হয় লোক হতে হবে সরকারী ! তবেই ওনাদের থেকে সঠিক বা বেঠিক কিছু আশা করা যেতে পারে। তাই, এই প্রসঙ্গ না বাড়ানোয় ভালো। 

যাই হোক আমাদের বাংলা দেখাল  তার মেয়েরা আজও সেই মাতঙ্গিনীর মতই তেজস্বিনী । হাসি মুখে কারাবরন করতে তারা পিছপা নন।

=======================================================================

=======================================================================

আর সভামঞ্চ !! তা দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এটা শহিদ মিনার প্রাঙ্গন নাকি বিধান সভা !! শিক্ষকদের ন্যায্য দাবিকে সমর্থন জানাতে কে আসেন নি সেখানে !! 
পশ্চিমবাংলা এর আগে কবে আর কোন ইস্যুতে একসাথে একই মঞ্চে দেখেছেন - " আধির চৌধুরী, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, আব্দুল মান্নান, দিলিপ ঘোষ , সুজন চক্রবর্তী, নরেন বাবু ......... প্রমুখ নামগুলো !!"

এ প্রসঙ্গে মাদিরাহাটের বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষক যথার্থ বলেছেন - "  আমাদের এই একসাথে একই মঞ্চে বসে শিক্ষক আন্দোলন সমর্থন করাকে আমাদের মিডিয়া বন্ধুরা দেখাবেন এইভাবে- ' আগামী লোকসভা ভোটে হয়ত আমরা জোট বাঁধতে চলেছি ' !! কিন্তু, তা নয়। পার্টি থাকবে নিজের স্থানে । আজ আমরা এখানে এসেছি আমাদের শিক্ষক মহাশয়দের বঞ্চনার প্রতিবাদ জানাতে ও ওনাদের ন্যায্য দাবিকে সমর্থন জানাতে । " 



FACEBOOK PAGE- CLICK
CLICK & UPDATE ALWAYS


অবশ্য কেও কেও এসেছিলেন এমন সুন্দর সভামঞ্চকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে, তা ওনাদের বক্তব্যতেই পরিস্কার !! শিক্ষকদের আন্দোলনে এসে পেট্রোলের দাম কেন বাড়ছে ! জিনিসপত্র কেন আরও সস্তা হচ্ছেনা ! - এসব বোধহয় ওনাদের সস্তা মানসিকতার সস্তা বহিপ্রকাশ ছাড়া কিছু না। আর মঞ্চে উপস্থিত  শিক্ষকদের রেসপন্স প্রত্যেক বক্তাকেই বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল যে এটা শিক্ষক আন্দোলন । আসলে কিছু নেতা ভাড়া করে নিয়ে আসা লোকজনদের সামনে বক্তব্য দিতে দিতে ভুলেই গেছেন যে এটা একটু আলাদা । কারন - এখানের সবাই তো শিক্ষক আর এনারা কেও ভাড়া নিয়ে আসেননি !! এসেছেন স্বতস্ফুরত ভাবে নিজেদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরতে।  



আর সরকার ! জানি না কেন ওনাদের এত অনীহা, শিক্ষক বন্ধুদের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসতে !! UUPTWA এর তরফে বক্তব্য - " মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী  অন্য সংবাদ চ্যানেলে বলছেন - এভাবে বেতন স্কেল পরিবর্তন করা যায়না !! বা বলছেন সরকারের আর্থিক অবস্থা ভালো হলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন !! বেশ , ভালো কথা । কিন্তু এই কথা গুলোই যদি সংবাদ মাধ্যমে না বলে আন্দোলন কারিদের সাথে আলোচনায় বসে বলেন তাহলে কি কোন পাপ লাগতে পারে !! নাকি অচ্ছুৎ হয়ে পড়ার ভয় আছে ! এটা কি খুব বেশী দাবী ছিল !! যার জন্য গ্রেপ্তার করা গেলো কিন্তু আলোচনায় বসা গেলো না !! "  

শেষ পর্যন্ত, আন্দোলনকারী শিক্ষকরা সরকারকে আরও কিছুটা সময় দিলেন আলোচনায় বসার  জন্য । ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হল  UUPTWA  এর পক্ষ থেকে সরকারকে আলোচনায় বসার জন্য।

পৃথা বিশ্বাস - লক আপ এ অনশনরত 

তাহলে সমস্যা জিইয়ে রাখা কেন.........!! অবশ্য সেটা সরকারের ব্যাপার । ওনারা দেখবেন কিভাবে সমস্যা মেটাবেন। 

তবে , এটা কিন্তু চরম বাস্তব শিক্ষাগুরু দের অপমান করে কোন দেশ, কোন জাতি, কোন কালেই , কোন ভাবেই , কোন স্থানেই শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করতে পারে না !!  

শেষ কথা - শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া -  বিরোধী - গ্রেপ্তার -  অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন  !! আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারা । 


তবে, এ জাতীয় খবরের কোলকাতা শহিদ মিনার থেকে আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-
FACEBOOK PAGE- CLICK


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------



Sunday, 28 October 2018

October 28, 2018

ইতিহাসের তলা থেকে ইতিহাসের সাক্ষী হতে জমায়েত রাজ্যের সমস্ত জেলার শিক্ষক-শিক্ষিকা

ইতিহাসের তলা থেকে, ইতিহাসের সাক্ষী হতে জমায়েত রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকারা  
 শহিদ মিনার থেকে


২৯ অগাস্ট, কোলকাতাঃ  কেও পুরুলিয়া, কেও বর্ধমান কেও বা চব্বিস পরগনা থেকে ..........  কেও রাত্রি থেকে, কেও ভোরে কেও বা এসেছেন সকালে ......... কিন্তু  শহিদ মিনারের পাদদেশে সবার একটাই পরিচয় - উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার  অ্যাসোসিয়েশান। আর দাবিও একটাই - শুধুমাত্র ন্যায্য বেতন। সেই দাবীর পক্ষে পা'এ পা মেলাতে হাজির সকলেই শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে।

অনুনয় - বিনয় ,সহযোগিতা ,অপেক্ষা করে পাওয়া পাওয়া গেছে - শুধু মন ভোলানো আশ্বাস আর উপেক্ষা । তাই, এবার আর না .........!!
 এবার দাবী - সরাসরি কিছু বলুন মাননীয় করতা-ব্যাক্তি'রা।

আর পশ্চিমবাংলা তথা ভারতবর্ষের বুকে সবচেয়ে বড় শিক্ষক আন্দোলনের সমর্থনে হাজির থাকছেন - সমাজের বিভিন্ন স্ততের বিশিষ্ট জনেরা। আবার উপস্থিত থাকছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বও।

আমন্ত্রন জানানো হয়েছে - মূলধারার সমস্ত রাজনৈতিক দলকে।
আসুন দেখে নেওয়া যাক শহিদ মিনারের পাদদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের এই অবস্থান বিক্ষোভকে সমর্থন জানাতে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা কাদের -

FACEBOOK PAGE- CLICK

রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বঃ 

  • সূর্যকান্ত মিশ্র                                    
  • মুকুল রায় 
  • আব্দুল মান্নান
  • সুজন চক্রবর্তী
  • অধীররঞ্জন চৌধুরী
  • নেপাল মাহাত
  • বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য

Advt.- Do Business with Amazon Full time or Part Time

 বুদ্ধিজীবী ব্যাক্তিত্ব ঃ
  • মন্দাক্রান্তা সেন                 
  • সমীর আইচ
  • আজিজুল হক
  • আমিতাভ মিশ্র
  • নিরমালা মাহাত
  • আম্বিকেশ মহাপাত্র
  • অশোকনাথ বসু
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
পড়ুন -  জানেন কি !! ব্যাবসায়ীদের যে নাম্বার থাকে সেটা দেখে ওনার সম্পর্কে অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যেতে পারে !!
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

মূল অবস্থান বিক্ষোভ হচ্ছে  ঐতিহাসিক শহিদ মিনারের পাদদেশে  ২৯-৩০ অক্টোবর । সেখানেই স্রোতের মত গতকাল রাত্রি থেকেই একত্রিত হচ্ছেন সকলেই। রাত্রি থেকে ভোর , ভোর থেকে সকাল - সকাল থেকে দুপুর , ক্রমশ বাড়ছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জমায়েত।

জমায়েত দেখলেই যেন বোঝা যায় - এই ক্ষোভ দীর্ঘদিনের আর UUPTWA  সেই ক্ষোভ প্রদর্শনের একটা প্লাটফর্ম মাত্র। আসলে সবাই এখানে এসেছেন নিজেদের তাগিদে । কোন প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন'এর ফলে না। সেই অর্থে , এই বিশাল জমায়েত অর্থবহ।

আয়োজনে অবশ্য খামতি রাখতে  নারাজ UUPTWA  নেতৃত্ব  । কিন্তু, এত আয়োজনের খরচ- খরচা !! প্রশ্ন শেষ হবার আগেই উত্তর পেলাম - স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে প্রতিটি জেলা থেকে আমাদের সহকর্মী শিক্ষক শিক্ষিকারাই যে যার সাধ্যমত সাহাজ্য করেছেন। 




বেলা  যত গড়াচ্ছে দুর-দুরান্ত থেকে হাজির হচ্ছেন আমাদের জাতির মেরুদণ্ড 'রা। পথচারী থেকে হোটেল মালিক, বাসের যাত্রী থেকে বাস মালিক সবার একটাই  কৌতূহলী প্রশ্ন- শিক্ষকদের এত বড় সমাবেশ !!? কিন্তু কেন !? 

পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরা যে বেতন ক্রম পান তা হল ৫২০০-২৫,৪০০ সাথে গ্রেড পে ২৩০০-২৬০০, যেখানে  ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্য শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে শিক্ষকদের বেতন ক্রম সংশোধন করে যা বর্তমানে ৯৩০০-৩৪৮০০ সাথে গ্রেড পে ৪২০০।

-  কারন জানাবার পর মতামত চাওয়া হলে অবশ্য খলাখুলিই বললেন - " এরকম হওয়াটা মোটেই কাম্য নয়। যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন পাওয়া তো উচিৎ নিশ্চয়ই। সরকার এত দিকে এত খরচ করছে তাহলে শিক্ষকরা  বঞ্চিত  কেন !! "

একজন শিক্ষক মহাশয়ের সাথে কথা বলে জানলাম - তিনি এসেছেন উত্তর দিনাজপুর থেকে !! গতকাল রাত্রিতেই বেরিয়ে পরেছেন লক্ষে পৌছতে হবে বলে  !
প্রশ্ন করলাম- অনেকেই তো আসছে তো এত দূর থেকে না এলেও পারতেন !!?
উত্তর যা পেলাম তাতে আর কিছু প্রশ্ন করার প্রয়োজন পড়ল না । 

তিনি বললেন - " এক ইতিহাসের তলায় এলাম, আর এক ইতিহাসের সাক্ষী থাকতে "


আর আপনারা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকার জন্য বা ফেসবুক'এ আপডেট খবর পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ - ডিজিটাল বার্তা 

FACEBOOK PAGE- CLICK

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------