Digital Barta

Digital Barta - An online news portal 24Hours at your service. Here we Value the Genuine news only.

Don't Miss! Grab the Deal Now

Breaking

Showing posts with label ncte rules. Show all posts
Showing posts with label ncte rules. Show all posts

Monday, 26 November 2018

November 26, 2018

শিক্ষা দপ্তর থেকে আপনার ছোট্ট শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা !! পড়ান যাবে না সব বিষয় !! দেওয়া যাবে না বাড়ীর কাজ !

শিক্ষা দপ্তর থেকে আপনার ছোট্ট শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ  নির্দেশিকা !! পড়ান যাবে না সব বিষয় !! 

দেওয়া যাবে না বাড়ীর কাজ অর্থাৎ হোম ওয়ার্ক 


আপনি কি আপনার ছোট্ট শিশুকে কম্পিউটার সেখান !! বা জেনারেল নলেজ !! অথবা অন্য কিছু !! তাহলে জেনে রাখুন এবার থেকে কিন্তু ছোট্ট শিশু অর্থাৎ যারা প্রথম শ্রেণী বা দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে তাদের শুধুমাত্র ভাষা শিক্ষা এবং গনিত  ছাড়া আর কোন কিছু শেখানো যাবে না ! এমনটাই এবার নির্দেশ জারী হয়েছে।

নির্দেশ আগেই জারী করা হয়েছিল কেন্দ্রের মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে গত অক্টোবর মাসেই যার মেমো নাম্বার D.D NO. 1-4/2018-IS-3


কিন্তু সেই নির্দেশ সব রাজ্যের জন্য প্রযোজ্য ছিল না । নির্দেশ ছিল শুধুমাত্র ভারতের লাক্ষাদ্বীপ এর জন্য।  তবে এখন সেটা সমস্ত রাজ্যেই প্রযোজ্য হতে চলেছে  । আর সেই অর্ডার অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বাচ্চাদের কেবলমাত্র ভাষা আর গনিত শেখাতে পারবে স্কুল গুলি , এছাড়া আর কোন কিছু শেখানো যাবে না।  

এছাড়াও, নির্দেশে পরিস্কার বলা হয়েছে - " প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের বাড়ীর কাজ অর্থাৎ হোম ওয়ার্ক ও দেওয়া যাবে না। "
আর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জন্য বলা হয়েছে ভাষা শিক্ষা , গনিত ও সাথে পরিবেশ শেখানো যাবে। অন্য আর কোন বিষয় রাখা যাবে না। 

এ বিষয়ে আমাদের পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করলে জানান যে , "সেই নির্দেশ কেন্দ্র থেকে জারী করা হয়েছে ছোট্ট শিশুদের কথা ভেবে ,তবে তা এখনই সব রাজ্যে প্রযোজ্য নয় । আর তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গের সরকারী স্কুল গুলিতে অনেক আগে থেকেই প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের বইয়ের বোঝা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং একটি বই করা হয়েছে ।" 

এই অর্ডার অনুযায়ী বেঁধে দেওয়া হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের স্কুল ব্যাগের ওজনও । অর্থাৎ, ছাত্রছাত্রিদের যাতে প্রচুর বই খাতা নিয়ে স্কুলে না আসতে হয় । আসুন দেখে নেওয়া যাক শ্রেণী অনুযায়ী সরকারের বেঁধে দেওয়া স্কুল ব্যাগের ওজন কত -

  1. প্রথম শ্রেণী  ও দ্বিতীয় শ্রেণী - ১.৫ কেজি
  2. তৃতীয়, চতুর্থ শ্রেণী ও পঞ্চম শ্রেণী  - ২-৩ কেজি 
  3. ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণী - ৪ কেজি 
  4. অষ্টম ও নবম শ্রেণী - ৪.৫ কেজি
  5. দশম শ্রেণী - ৫ কেজি 
                                   বিদ্র ঃ এই নির্দেশিকা কেবলমাত্র সরকারী স্কুলের জন্য । 

এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-

LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 

Thursday, 1 November 2018

November 01, 2018

উস্থি আর বিজেপি !! জোড়া চাপে TMC !! উস্থি কে থামাতে রণকৌশল নির্ধারিত ...... নির্দেশ গেলো জেলায় জেলায় ...।

'উস্থি' কে থামাতে রণকৌশল নির্ধারিত ...... নির্দেশ গেলো জেলায় জেলায় ...। 

উস্থি আর বিজেপি !! জোড়া চাপে TMC !!


পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বঞ্চনা দীর্ঘদিনের। সেই বেতন বঞ্চনার ইতি টানতে মাত্র কয়েক মাস আগেই গঠন হয়েছে উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফারে অ্যাসোসিয়েশান , সংক্ষেপে 'উস্থি' বা UUPTWA  ।

আর এই কয়েকমাসের মধ্যেই উস্থি কপালে ভাঁজ ফেলেছে শাসকগোষ্ঠীর । মাত্র কিছুদিনের  মধ্যেই কোলকাতার বুকে তারা দু'দুটি বিশাল আকারের জমায়েত করে ইতিমধ্যেই নিজেদের শক্তির পরিক্ষায় স্বসম্মানে উত্তীর্ণ । তবে , শাসকগোষ্ঠী এর আগে তেমন একটা উচ্চ-বাচ্চ্য না করলেও , ৩০ অক্টোবর এর শিক্ষক আন্দোলনের পর UUPTWA কে  আর হালকা ভাবে নিতে নারাজ !
কারন- ৩০ তারিখের শিক্ষক আন্দোলনে হাজির ছিলেন একাধিক হেভি ওয়েট রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ! তবে, শিক্ষকদের আন্দোলন বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনে মঞ্চে হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি - দীলিপ ঘোষ । যা TMC নেতৃত্বের কাছে যথেষ্ট উদ্বেগের ! 
FACEBOOK PAGE- CLICK

CLICK & UPDATE ALWAYS



কারন - এমনিতেই  দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ , ঝুলে থাকা পে কমিশন , শিক্ষক নিয়োগ আটকে থাকা , শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি সহ বদলি থেমে থাকা ইত্যাদি নানান কারনে সরকারী কর্মচারী থেকে শুরু করে সরকারের বেতনভোগী প্রায় প্রতিটি দপ্তর সরকারের  প্রতি বিদ্বেষ ভাবাপন্ন , তার সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য বেতনের দাবীতে আন্দোলন তথা 'উস্থি'।  

TMC  নেতৃত্ব ভালোভাবেই জানেন যে , এই প্রাথমিক শিক্ষকদের একটা বড় অংশ যদি সরকারের প্রতি বিরুপ থাকে তাহলে আগামী নির্বাচনে সমস্যাই পড়তে পারে দল। তাই, প্রথম দিকে বিশেষ গুরুত্ব না দিলেও , আর চুপ থাকতে চাইছে  না দল।
সেই কারনে উস্থি কে থামাতে বা ভাঙন ধরাতে নেওয়া হয়েছে দ্বিমুখী রণকৌশল। এক - পার্টী গত ভাবে আর দুই সরকারী ভাবে।

পার্টী গত ভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি জেলার তৃনমূল  প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতিদের যাতে জেলাতে উস্থি কোনোভাবেই সক্রিয় না হতে পারে। সেই নির্দেশ পৌঁছে গেছে চক্র স্তর পর্যন্ত। আর তাই, বিভিন্ন জায়গায় চক্র স্তরে উস্থিতে যোগদানকারী শিক্ষক - শিক্ষিকাদের প্রতি সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে!! 

এমন কি এ সপ্তাহে বিভিন্ন জেলাতে শুরু হয়েছে  TMC দলের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মিলনি । সেখানেও বাদ যাচ্ছেনা উস্থি প্রসঙ্গ।
========================================================================

জানুন আপনার GST  আর ঠকা থেকে দূরে থাকুন 

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আর সরকারিভাবে আন্দোলনের দিন থেকেই খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করে দিয়েছিলেন যে, কাজের দিনে এত শিক্ষক একসাথে কিভাবে জমায়েত হতে পারল !!?

এবং আগামিদিনে যাতে শিক্ষকরা কোনোভাবেই একসাথে জমায়েত হতে না পারেন সেই বাপ্যারে ভাবনা চিন্তা শুরু হয়ে গেছে। 
তবে, আপাতত বিষয়টি পার্টি লেভেলই সমাধান করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-
FACEBOOK PAGE- CLICK

Wednesday, 31 October 2018

October 31, 2018

শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া - বিরোধী - গ্রেপ্তার - অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন !! আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারাও

শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া -  বিরোধী - গ্রেপ্তার -  অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন  !!

 আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারা

আবেগ ধরা অসম্ভব তবু চেষ্টা মাত্র - ডিজিটাল বার্তা 


শহিদ মিনার, কোলকাতা , ৩০ শে অক্টোবর ঃ কিভাবে ব্যাখ্যা করব এই ঘটনা জানা নেই......। চোখে দেখা দৃশ্য কে কিভাবে সঠিক রুপ দেবো বুঝে উঠতে পারছি না । এমন আবেগ, এমন দৃঢ়তা , এমন বজ্র কঠিন সঙ্কল্প , এমন কারাবরন , এমন স্বতস্ফুরত অংশগ্রহণ এর আগে দেখার সৌভাগ্য হয়নি।  

গতকাল থেকে অপেক্ষা করে করে ভাবছি কি হেডলাইন দেবো !! কি লিখলে যোগ্য সম্মান দেওয়া হবে শিক্ষিকাদের এমন কারাবরনের !! কি করলে সঠিক খবর , সঠিক বার্তা পৌঁছবে সমাজের কাছে !! তাই ভেবে চলেছি !!

না, আমার ভাবার কিছু ছিলনা , অনায়াসে লিখে দিতে পারতাম - " বিরোধীরা একই মঞ্চে এসে সরকারকে তুলোধোনা করল " অথবা, অন্যসব নিউজ পোর্টাল এর মত বলতে পারতাম - " শিক্ষকদের একাংশের বেতন বৃদ্ধির জন্য পথ অবরোধ করে আন্দোলন" !! আর নাহয় একটা ছবি তুলে  ক্যাপশন দিতে পারতাম - " শিক্ষকদের আন্দোলনে পথচারিদের আসুবিধে " !!

কিন্তু, সেরকম হলে তো সঠিক হত না ......... প্রাপ্য সম্মান কি দেওয়া হত মাননীয় শিক্ষকদের !!
কাল যেন ইতিহাস'কে পথে নামতে দেখলাম । উপলব্ধি করলাম হাজার হাজার মাস্টারদা উঠে এসেছেন ইতিহাস থেকে ডোরিনা ক্রসিং এ। 

রবীন্দ্রনাথ  ঠাকুরের সেই কালজয়ী দুই লাইন মনে পড়ছিল আন্দোলনরত শিক্ষক -শিক্ষিকাদের দেখে - " চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ সেথা শির" । আর তাই, শেষ পর্যন্ত কারাবরন করা শিক্ষক -শিক্ষিকারা  নিজেদের শির উঁচু করে পুনরায় ফিরে এলেন লক আপ থেকে । 
-- সেই ইতিহাসের সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং ।



সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং - যখন পথচারিরা অবাক বিস্ময়ে দেখছে শিক্ষকদের আবেগ মাখা আন্দোলন ।
পথচারীদের কথায় - " কোলকাতা আন্দোলন তো প্রায় রোজই দেখে  , কিন্তু নিজেদের বঞ্চনার জন্য শিক্ষক মহাশয়দের এই আন্দোলন অন্যতম , অভিনব ও সমাজের প্রতি যথেষ্ট ঈঙ্গিতবাহী !!"

সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং,  যখন গ্রেপ্তার হচ্ছেন বেলা সাহা, নাফিসা, চন্দন , মইদুল, শাশ্বত, পৃথা ......, তখন শহিদ মিনারে প্রস্তুত আছেন আরও হাজার হাজার বেলা, চন্দন, মইদুল পৃথা !! 

আর আমাদের বড় বড় স্বনামধন্য মিডিয়া তখন ব্যাস্ত আছেন এটাকে পথচারীদের আসুবিধে দেখাবেন নাকি বিপর্যস্ত জনজীবন নাম দেবেন !! নাকি আর একটু অপেক্ষা করবেন ওপর থেকে ফোনে কি লেখার অর্ডার আসে সেই জন্য !!

পুলিশ এর ভুমিকা বিশেষ কি বলার থাকতে পারে ! কারন - ট্রেনিং নেওয়ার সময় ওনারা এক প্রতিজ্ঞা করেন আর বাস্তব সম্পূর্ণ আলাদা হয় !! আসলে ওনাদের দোষ দিয়েও বিশেষ কিছু লাভ নেই , চিরকাল তো এটাই জানি -  ক্ষমতা ধারী ,পকেট ভারী আর না হয় লোক হতে হবে সরকারী ! তবেই ওনাদের থেকে সঠিক বা বেঠিক কিছু আশা করা যেতে পারে। তাই, এই প্রসঙ্গ না বাড়ানোয় ভালো। 

যাই হোক আমাদের বাংলা দেখাল  তার মেয়েরা আজও সেই মাতঙ্গিনীর মতই তেজস্বিনী । হাসি মুখে কারাবরন করতে তারা পিছপা নন।

=======================================================================

=======================================================================

আর সভামঞ্চ !! তা দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এটা শহিদ মিনার প্রাঙ্গন নাকি বিধান সভা !! শিক্ষকদের ন্যায্য দাবিকে সমর্থন জানাতে কে আসেন নি সেখানে !! 
পশ্চিমবাংলা এর আগে কবে আর কোন ইস্যুতে একসাথে একই মঞ্চে দেখেছেন - " আধির চৌধুরী, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, আব্দুল মান্নান, দিলিপ ঘোষ , সুজন চক্রবর্তী, নরেন বাবু ......... প্রমুখ নামগুলো !!"

এ প্রসঙ্গে মাদিরাহাটের বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষক যথার্থ বলেছেন - "  আমাদের এই একসাথে একই মঞ্চে বসে শিক্ষক আন্দোলন সমর্থন করাকে আমাদের মিডিয়া বন্ধুরা দেখাবেন এইভাবে- ' আগামী লোকসভা ভোটে হয়ত আমরা জোট বাঁধতে চলেছি ' !! কিন্তু, তা নয়। পার্টি থাকবে নিজের স্থানে । আজ আমরা এখানে এসেছি আমাদের শিক্ষক মহাশয়দের বঞ্চনার প্রতিবাদ জানাতে ও ওনাদের ন্যায্য দাবিকে সমর্থন জানাতে । " 



FACEBOOK PAGE- CLICK
CLICK & UPDATE ALWAYS


অবশ্য কেও কেও এসেছিলেন এমন সুন্দর সভামঞ্চকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে, তা ওনাদের বক্তব্যতেই পরিস্কার !! শিক্ষকদের আন্দোলনে এসে পেট্রোলের দাম কেন বাড়ছে ! জিনিসপত্র কেন আরও সস্তা হচ্ছেনা ! - এসব বোধহয় ওনাদের সস্তা মানসিকতার সস্তা বহিপ্রকাশ ছাড়া কিছু না। আর মঞ্চে উপস্থিত  শিক্ষকদের রেসপন্স প্রত্যেক বক্তাকেই বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল যে এটা শিক্ষক আন্দোলন । আসলে কিছু নেতা ভাড়া করে নিয়ে আসা লোকজনদের সামনে বক্তব্য দিতে দিতে ভুলেই গেছেন যে এটা একটু আলাদা । কারন - এখানের সবাই তো শিক্ষক আর এনারা কেও ভাড়া নিয়ে আসেননি !! এসেছেন স্বতস্ফুরত ভাবে নিজেদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরতে।  



আর সরকার ! জানি না কেন ওনাদের এত অনীহা, শিক্ষক বন্ধুদের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসতে !! UUPTWA এর তরফে বক্তব্য - " মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী  অন্য সংবাদ চ্যানেলে বলছেন - এভাবে বেতন স্কেল পরিবর্তন করা যায়না !! বা বলছেন সরকারের আর্থিক অবস্থা ভালো হলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন !! বেশ , ভালো কথা । কিন্তু এই কথা গুলোই যদি সংবাদ মাধ্যমে না বলে আন্দোলন কারিদের সাথে আলোচনায় বসে বলেন তাহলে কি কোন পাপ লাগতে পারে !! নাকি অচ্ছুৎ হয়ে পড়ার ভয় আছে ! এটা কি খুব বেশী দাবী ছিল !! যার জন্য গ্রেপ্তার করা গেলো কিন্তু আলোচনায় বসা গেলো না !! "  

শেষ পর্যন্ত, আন্দোলনকারী শিক্ষকরা সরকারকে আরও কিছুটা সময় দিলেন আলোচনায় বসার  জন্য । ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হল  UUPTWA  এর পক্ষ থেকে সরকারকে আলোচনায় বসার জন্য।

পৃথা বিশ্বাস - লক আপ এ অনশনরত 

তাহলে সমস্যা জিইয়ে রাখা কেন.........!! অবশ্য সেটা সরকারের ব্যাপার । ওনারা দেখবেন কিভাবে সমস্যা মেটাবেন। 

তবে , এটা কিন্তু চরম বাস্তব শিক্ষাগুরু দের অপমান করে কোন দেশ, কোন জাতি, কোন কালেই , কোন ভাবেই , কোন স্থানেই শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করতে পারে না !!  

শেষ কথা - শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া -  বিরোধী - গ্রেপ্তার -  অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন  !! আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারা । 


তবে, এ জাতীয় খবরের কোলকাতা শহিদ মিনার থেকে আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-
FACEBOOK PAGE- CLICK


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------



Sunday, 28 October 2018

October 28, 2018

ইতিহাসের তলা থেকে ইতিহাসের সাক্ষী হতে জমায়েত রাজ্যের সমস্ত জেলার শিক্ষক-শিক্ষিকা

ইতিহাসের তলা থেকে, ইতিহাসের সাক্ষী হতে জমায়েত রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকারা  
 শহিদ মিনার থেকে


২৯ অগাস্ট, কোলকাতাঃ  কেও পুরুলিয়া, কেও বর্ধমান কেও বা চব্বিস পরগনা থেকে ..........  কেও রাত্রি থেকে, কেও ভোরে কেও বা এসেছেন সকালে ......... কিন্তু  শহিদ মিনারের পাদদেশে সবার একটাই পরিচয় - উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার  অ্যাসোসিয়েশান। আর দাবিও একটাই - শুধুমাত্র ন্যায্য বেতন। সেই দাবীর পক্ষে পা'এ পা মেলাতে হাজির সকলেই শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে।

অনুনয় - বিনয় ,সহযোগিতা ,অপেক্ষা করে পাওয়া পাওয়া গেছে - শুধু মন ভোলানো আশ্বাস আর উপেক্ষা । তাই, এবার আর না .........!!
 এবার দাবী - সরাসরি কিছু বলুন মাননীয় করতা-ব্যাক্তি'রা।

আর পশ্চিমবাংলা তথা ভারতবর্ষের বুকে সবচেয়ে বড় শিক্ষক আন্দোলনের সমর্থনে হাজির থাকছেন - সমাজের বিভিন্ন স্ততের বিশিষ্ট জনেরা। আবার উপস্থিত থাকছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বও।

আমন্ত্রন জানানো হয়েছে - মূলধারার সমস্ত রাজনৈতিক দলকে।
আসুন দেখে নেওয়া যাক শহিদ মিনারের পাদদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের এই অবস্থান বিক্ষোভকে সমর্থন জানাতে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা কাদের -

FACEBOOK PAGE- CLICK

রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বঃ 

  • সূর্যকান্ত মিশ্র                                    
  • মুকুল রায় 
  • আব্দুল মান্নান
  • সুজন চক্রবর্তী
  • অধীররঞ্জন চৌধুরী
  • নেপাল মাহাত
  • বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য

Advt.- Do Business with Amazon Full time or Part Time

 বুদ্ধিজীবী ব্যাক্তিত্ব ঃ
  • মন্দাক্রান্তা সেন                 
  • সমীর আইচ
  • আজিজুল হক
  • আমিতাভ মিশ্র
  • নিরমালা মাহাত
  • আম্বিকেশ মহাপাত্র
  • অশোকনাথ বসু
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
পড়ুন -  জানেন কি !! ব্যাবসায়ীদের যে নাম্বার থাকে সেটা দেখে ওনার সম্পর্কে অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যেতে পারে !!
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

মূল অবস্থান বিক্ষোভ হচ্ছে  ঐতিহাসিক শহিদ মিনারের পাদদেশে  ২৯-৩০ অক্টোবর । সেখানেই স্রোতের মত গতকাল রাত্রি থেকেই একত্রিত হচ্ছেন সকলেই। রাত্রি থেকে ভোর , ভোর থেকে সকাল - সকাল থেকে দুপুর , ক্রমশ বাড়ছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জমায়েত।

জমায়েত দেখলেই যেন বোঝা যায় - এই ক্ষোভ দীর্ঘদিনের আর UUPTWA  সেই ক্ষোভ প্রদর্শনের একটা প্লাটফর্ম মাত্র। আসলে সবাই এখানে এসেছেন নিজেদের তাগিদে । কোন প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন'এর ফলে না। সেই অর্থে , এই বিশাল জমায়েত অর্থবহ।

আয়োজনে অবশ্য খামতি রাখতে  নারাজ UUPTWA  নেতৃত্ব  । কিন্তু, এত আয়োজনের খরচ- খরচা !! প্রশ্ন শেষ হবার আগেই উত্তর পেলাম - স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে প্রতিটি জেলা থেকে আমাদের সহকর্মী শিক্ষক শিক্ষিকারাই যে যার সাধ্যমত সাহাজ্য করেছেন। 




বেলা  যত গড়াচ্ছে দুর-দুরান্ত থেকে হাজির হচ্ছেন আমাদের জাতির মেরুদণ্ড 'রা। পথচারী থেকে হোটেল মালিক, বাসের যাত্রী থেকে বাস মালিক সবার একটাই  কৌতূহলী প্রশ্ন- শিক্ষকদের এত বড় সমাবেশ !!? কিন্তু কেন !? 

পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরা যে বেতন ক্রম পান তা হল ৫২০০-২৫,৪০০ সাথে গ্রেড পে ২৩০০-২৬০০, যেখানে  ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্য শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে শিক্ষকদের বেতন ক্রম সংশোধন করে যা বর্তমানে ৯৩০০-৩৪৮০০ সাথে গ্রেড পে ৪২০০।

-  কারন জানাবার পর মতামত চাওয়া হলে অবশ্য খলাখুলিই বললেন - " এরকম হওয়াটা মোটেই কাম্য নয়। যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন পাওয়া তো উচিৎ নিশ্চয়ই। সরকার এত দিকে এত খরচ করছে তাহলে শিক্ষকরা  বঞ্চিত  কেন !! "

একজন শিক্ষক মহাশয়ের সাথে কথা বলে জানলাম - তিনি এসেছেন উত্তর দিনাজপুর থেকে !! গতকাল রাত্রিতেই বেরিয়ে পরেছেন লক্ষে পৌছতে হবে বলে  !
প্রশ্ন করলাম- অনেকেই তো আসছে তো এত দূর থেকে না এলেও পারতেন !!?
উত্তর যা পেলাম তাতে আর কিছু প্রশ্ন করার প্রয়োজন পড়ল না । 

তিনি বললেন - " এক ইতিহাসের তলায় এলাম, আর এক ইতিহাসের সাক্ষী থাকতে "


আর আপনারা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকার জন্য বা ফেসবুক'এ আপডেট খবর পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ - ডিজিটাল বার্তা 

FACEBOOK PAGE- CLICK

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------




October 28, 2018

শহিদ মিনার কি পারবে পশ্চিমবাংলার শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটাতে !!? - সরাসরি শহিদ মিনার থেকে

শহিদ মিনার কি পারবে পশ্চিমবাংলার শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটাতে !!?- সরাসরি শহিদ মিনার থেকে 

ফাইল চিত্র- সম্পাদিকা পৃথা বিশ্বাস 

তাঁদের সকলেরই যোগ্যতা মান উচ্চ মাধ্যমিক ( ৫০ %) সাথে করতে হয়েছে ২ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স কিন্তু  সরকারি খাতায়  তাদের বেতন ক্রম ও যোগ্যতা সেই মাধ্যমিক !
অথচ সরকারি নিয়ম আনুসারে এখন প্রাথমিক শিক্ষক হতে হলে নুন্যতম যোগ্যতা মান কিন্তু উচ্চ-মাধ্যমিক !!
কিছুতেই যেন মেলেনা এ হিসাব। সরকারের কাছে বহুবার এই বঞ্চনার কথা তুলে ধরলেও বিশেষ কিছু কাজ হয়নি ... আর এখান থেকেই শুরু দাবির।  

সেই দাবী শুরু হয় জেলায় জেলায় উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশান এর ছত্রছায়ায় । ......... তারপর জেলার প্রতিটি প্রবাহ এসে জমা পড়ে কোলকাতার রাজপথে ৭ই অগাস্ট , রানি রাসমনি অ্যাভেন্যু তে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি , শুধু মিথ্যে মন ভোলানো কথা ছাড়া!!  

তাই, এবার আর মন ভোলানো কথায় ভুলতে নারাজ এ বাংলার শিক্ষক-শিক্ষিকারা  !! রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে তাদের অবস্থান বিক্ষোভ । দাবী একটাই-  হয় এবার সরকার সরাসরি কিছু বলুক নাহয় চলবে আমরন অবস্থান বিক্ষোভ। স্থান - কোলকাতা শহিদ মিনার। 


FACEBOOK PAGE- CLICK

কালকের অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচীতে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষাবিদ, জাতীয় ব্যাক্তিত্ব ও বুদ্ধিজীবীদের। 

তবে শোনা যাচ্ছে উপস্থিত থাকতে পারেন কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বও। UUPTWA  যদিও দাবী করেন যে, - তাদের সংগঠন সম্পুরনভাবেই অরাজনৈতিক । 

তাহলে রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বদের আমন্ত্রন জানানো হল কেন ? 
- UUPTWA  এর কথায় আমরা অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচীতে দল-মত নির্বিশেষে সকলকেই আমন্ত্রন জানিয়েছি। কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলকে একা নয়। 

=======================================================================


====================================================================
শিক্ষকদের কথায় -  "দুর্ভাগ্যর যে সামান্য এক ন্যায্য বেতন কাঠামো পেতে পশ্চিমবাংলার শিক্ষকদের পথে নামতে হচ্ছে !!" 


সরকার পক্ষ অবশ্য এ বাপ্যারে সেরকম কিছু বলতে  ছাইছে না। তবে শিক্ষক দের দাবি যে ন্যায্য তা মানছেন উপর মহলের প্রত্যেকেই।

UUPTA এর সদস্য দের সাথে কথা বলে যানা গেল এ রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা প্রতি মাসে প্রায় ১০,০০০ টাকা কম পাচ্ছেন তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে আর সেই বঞ্চনা দীর্ঘকাল থেকে চলে এলেও কোনরূপ সংশোধনের সদিচ্ছা দেখাইনি কোন সরকারই।

আসুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে ১০,০০০ টাকা কম বেতন পাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরা ।
খোঁজ নিয়ে যানা গেলো বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরা যে বেতন ক্রম পান তা হল ৫২০০-২৫,৪০০ সাথে গ্রেড পে ২৩০০-২৬০০, যেখানে  ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্য শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে শিক্ষকদের বেতন ক্রম সংশোধন করে যা বর্তমানে ৯৩০০-৩৪৮০০ সাথে গ্রেড পে ৪২০০।

অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরা  NCTE RULES মেনে নিজেদের যোগ্যতা বাড়ালেও বাড়েনি তাদের বেতন।
এমনকি পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (WBBPE) পরিচালিত মাদ্রাসার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদেরও বেতন কাঠামো ৭০০০-৩০০০০ সাথে গ্রেড পে ৩২০০ !!

এখান থেকেই শুরু ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন । আর সেই বঞ্চনার প্রতিবাদেই পথে নামতে হল তাদের।দাবি একটাই - " অবসান হোক দীর্ঘদিনের এই বেতন বঞ্চনার" । 




সংগঠনের পক্ষ থেকে যানা গেলো, বিভিন্ন ভাবে তারা সরকারের কাছে তাদের দাবির কথা তুলে ধরেছেন - যেমন জেলায় জেলায় ডেপুটেসন, সই সংগ্রহ, মৌন-মিছিল ,তথ্য জানার অধিকার থেকে শুরু করে কোর্ট কেস !! কিন্তু কাজ না হওয়াই এবার রাস্তাই নেমেই আন্দোলন। তবে এর জন্য পড়ুয়া দের যাতে কোনরূপ কোন ক্ষতি না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখা হয়েছে।

========================================================================

========================================================================

এখন দেখার কালকের অবস্থান বিক্ষোভ কি পারবে পশ্চিমবাংলার প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বেতন বঞ্চনার অবসান ঘটাতে !! সে কথা সময় বলবে।
তবে, এ জাতীয় খবরের কোলকাতা শহিদ মিনার থেকে আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-

FACEBOOK PAGE- CLICK



Tuesday, 7 August 2018

August 07, 2018

বর্তমান কালের সবচেয়ে বড় শিক্ষক আন্দোলনের সাক্ষী থাকল কল্লোলিনী কোলকাতা


বেতন কাঠামো সংশোধনের দাবিতে বর্তমান কালের সবচেয়ে বড় শিক্ষক আন্দোলনের সাক্ষী থাকল কল্লোলিনী কোলকাতা

৭ই অগাস্ট, ২০১৮ , মঙ্গল বার, কোলকাতা ঃ তাঁদের সকলেরই যোগ্যতা মান উচ্চ মাধ্যমিক ( ৫০ %) সাথে করতে হয়েছে ২ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স কিন্তু  সরকারি খাতাই তাদের বেতন ক্রম সেই মাধ্যমিক যোগ্যতার !
অথচ সরকারি নিয়ম আনুসারে এখন প্রাথমিক শিক্ষক হতে হলে নুন্যতম যোগ্যতা মান কিন্তু উচ্চ-মাধ্যমিক !!
কিছুতেই যেন মেলেনা এ হিসাব। সরকারের কাছে বহুবার এই বঞ্চনার কথা তুলে ধরলেও বিশেষ কিছু কাজ হয়নি ... আর এখান থেকেই শুরু দাবির।

বেতন বঞ্চনার বিরেদ্ধে সমাবেশ প্রাথমিক শিক্ষকদের


 সেই বেতন বঞ্চনার দাবিতেই গঠন হয়েছে  UUPTA ( USTHI UNITED PRIMARY TEACHERS ASSOCIATION ) সংগঠনের পক্ষ থেকে যানা গেল এর আগে ওনারা প্রতি জেলায় জেলায় ডেপুটেসন এর মাদ্ধমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন,কিন্তু কোনরূপ সদর্থক কিছু আশার আলো সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া যাইনি !!

সরকার পক্ষ অবশ্য এ বাপ্যারে সেরকম কিছু বলতে  ছাইছে না। তবে শিক্ষক দের দাবি যে ন্যায্য তা মানছেন উপর মহলের প্রত্যেকেই।

UUPTA এর সদস্য দের সাথে কথা বলে যানা গেল এ রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা প্রতি মাসে প্রায় ১০,০০০ টাকা কম পাচ্ছেন তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে আর সেই বঞ্চনা দীর্ঘকাল থেকে চলে এলেও কোনরূপ সংশোধনের সদিচ্ছা দেখাইনি কোন সরকারই।

আসুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে ১০,০০০ টাকা কম বেতন পাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরা ।
খোঁজ নিয়ে যানা গেলো বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরা যে বেতন ক্রম পান তা হল ৫২০০-২৫,৪০০ সাথে গ্রেড পে ২৩০০-২৬০০, যেখানে  ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্য শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে শিক্ষকদের বেতন ক্রম সংশোধন করে যা বর্তমানে ৯৩০০-৩৪৮০০ সাথে গ্রেড পে ৪২০০।

অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরা  NCTE RULES মেনে নিজেদের যোগ্যতা বাড়ালেও বাড়েনি তাদের বেতন।
এমনকি পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (WBBPE) পরিচালিত মাদ্রাসার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদেরও বেতন কাঠামো ৭০০০-৩০০০০ সাথে গ্রেড পে ৩২০০ !!

এখান থেকেই শুরু ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন । আর সেই বঞ্চনার প্রতিবাদেই পথে নামতে হল তাদের। ৭ই অগাস্ট ঝড়বৃষ্টি কে উপেক্ষা করে তারা সবাই আজ হাজির রানি রাস মনি অ্যাভেন্যু তে। দাবি একটাই - " অবসান হোক দীর্ঘদিনের এই বেতন বঞ্চনার" । 

মিছিলে শিক্ষকরা
সংগঠনের পক্ষ থেকে যানা গেলো, বিভিন্ন ভাবে তারা সরকারের কাছে তাদের দাবির কথা তুলে ধরেছেন - যেমন জেলায় জেলায় ডেপুটেসন, সই সংগ্রহ, মৌন-মিছিল ,তথ্য জানার অধিকার থেকে শুরু করে কোর্ট কেস !! কিন্তু কাজ না হওয়াই এবার রাস্তাই নেমেই আন্দোলন। তবে এর জন্য পড়ুয়া দের যাতে কোনরূপ কোন ক্ষতি না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখা হয়েছে।

পড়ুন - বৃষ্টির জলে ভেসে গেল আস্ত দোতলা বাড়ি - বাকুড়াতে।

আর আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলে যানা গেল, তারা প্রত্যেকেই নিয়ম মেনে ছুটি নিয়েই আন্দোলন এ অংশগ্রহণ করেছেন।

এদিন কার জমায়েত ছিল নজর কাড়ার মত । বর্তমান কালে বাম-ডান কোন শিক্ষক সংগঠন এই বিপুল পরিমান শিক্ষক কে একসাথে পথে নামাতে পেরেছে কিনা সন্ধেহ!! আর তাই শাসক দলের শিক্ষক সংগঠনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ! যদিও বাম-ডান সবারই দাবি তারাও সরকারের কাছে বেতন কাঠামো সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন।
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

প্রসঙ্গত, আজকের জমায়েত দেখে যে কোন সরকারেরই চিন্তা হওয়া স্বাভাবিক কারন- সম্ভবত শাসকদলের ২১শে জুলাই এর পর অরাজনৈতিক ভাবে এত বড়ো জমায়েত কোন রাজনৈতিক দল ই পেরে উঠেনি ইদানিং  কালে। জমায়েত ছিল আগাগোড়া শৃঙ্খলা পরায়ন।

 [ পড়ুন ও সাহায্য করুন আপনার এলাকার মেয়েটিকে - অপর্ণা মাহাতো ও জীবন যুদ্ধের বাস্তবিক কাহিনী  ]

সংগঠনের পক্ষ থেকে ৫০০০০ জমায়েত এর দাবি করা হয়েছে। পুলিস এর আনুমান বেলা ১২টা নাগাদ জমায়েত ৩৫-৪০ হাজার এর কাছাকাছি। যদিও বেলা বাড়ার সাথে সাথে আন্দোলনকারীদের অংশগ্রহণ ও বেড়ে চলে ক্রমাগত।

মিছিল বেলা ১১টা নাগাদ শুরু হয় ...সুবোধ মল্লিক স্ক্যয়ার থেকে রানি রাস মনি অ্যাভেন্যু পর্যন্ত। সেখানেই বেলা ১২ টা থেকে অনুষ্ঠিত হয়  সভা। উপস্থিত ছিলেন  সামাজের বিভিন্ন স্তরের বুদ্ধিজিবি ব্যাক্তি । এছাড়াও  আওহান জানান হয়েছিল  বাম-ডান নির্বিশেষে সমস্ত শিক্ষক সংগঠনকে।


                    এবার দেখার সরকার কি ভাবছে শিক্ষকদের এই ন্যায্য দাবির ব্যাপারে।