Digital Barta

Digital Barta - An online news portal 24Hours at your service. Here we Value the Genuine news only.

Don't Miss! Grab the Deal Now

Breaking

Showing posts with label protest against low salary. Show all posts
Showing posts with label protest against low salary. Show all posts

Sunday, 4 August 2019

August 04, 2019

সরকারের ছল চাতুরির শিকার রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা ! ক্ষোভে ফুসঁছেন প্রত্যেকে ! বেতন বৈষম্য মেটানোর নামে শুধুমাত্র গ্রেড পে বৃদ্ধি !

বেতন  বৈষম্য মেটানোর  নামে শুধুমাত্র গ্রেড পে বৃদ্ধি ! - আরও কি আন্দোলন হতে চলেছে !?



গত কয়েকদিন আগেই নজিরবিহিন এক শিক্ষক আন্দোলনের সাক্ষী হয়েছিল কোলকাতাবাসী !  রাত দিন এক করে মাটি কামড়ে পড়ে ছিলেন রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকেরা নিজেদের প্রাপ্য ন্যায্য বেতন আদায়ের জন্য ।  একদিন বা দুই দিন নয় ......! এক এক করে পুরো এক পক্ষ কাল ! হ্যাঁ , প্রায় তেরো দিন খোলা আকাশের নিচে জড়ো হয়েছিলেন তারা !

শেষে চাপে পড়ে সরকার তাদের দাবীর আংশিক মেনে নিলে অনশন ও আন্দোলন প্রত্যাহার হয় !

কিন্তু, সুরাহা কি হল ! অর্থাৎ যে বেতন বৈষম্য ঘোচাতে তাদের এই আন্দোলন সেই বেতন বৈষম্য কতটা মিটল !? নাকি সরকার কৌশলের আশ্রয়ে তাদের সাথে ছলনা করল ! - আসুন দেখা যাক , একটি  পোস্টমর্টেম !

আসুন প্রথমে  দেখে নেওয়া যাক প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলন ও অনশন কি জন্য ছিল !?

- আমাদের রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা বেতন পেতেন মাধ্যামিক যোগ্যতার ! কিন্তু,  এন সি টি ই সারা ভারতবর্ষে প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগ্যতামান বাড়িয়ে উচ্চ মাধ্যামিকে ৫০ % নাম্বার বা গ্রেজুয়েট  ও সাথে ডি এল ই এড ট্রেনিং থাকা বাধ্যতামুলক করা হয় !  সাথে সারা
ভারতবর্ষেই তাদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো নিরদ্ধারণ করা হয় যা পি বি ৪ 9300- 34800 + গ্রেড পে 4200 ! এই নিয়ম প্রায় সারা ভারতবর্ষ মেনে নেয় ।

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে হয় এর একটু উল্টো ! কারন - পশ্চিমবঙ্গ সরকার যোগ্যতার মাপকাঠি বাড়িয়ে দেন কিন্তু সেই যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন দিচ্ছিল না !
পরিবর্তে তার চেয়ে  বহু কম ! প্রায় অর্ধেক  এক বেতন কাঠামো ছিল প্রাথমিক শিক্ষকদের ! সেটা ছিল ৫২০০- ২৫৪০০ সাথে গ্রেড পে ২৬০০ !

এর জন্য এই রাজ্যের শিক্ষকেরা প্রতি মাসে প্রায় ১০ - ১৫ হাজার টাকা বেতন কম পাচ্ছিলেন !
এর জন্যই আন্দোলন ও অনশন এ বসেছিলেন রাজ্যের শিক্ষকরা !

এমননকি রাজ্যের মাদ্রাসা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির থেকেও প্রায় ১০০০০/- টাকা কম বেতন পেতেন প্রাথমিক শিক্ষকরা !

আসুন এবার দেখে নেওয়া যাক সরকারের ভুমিকা ঃ
সরকার আগাগোড়া আন্দোলন ও অনশন রত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ছিল এবং আন্দোলন দমন করতে সমস্ত রকম পথ ও পররিকল্পনা করেছে ! আন্দোলনকারীদের পানীয় জল পর্যন্ত কিনে খেতে  হয়েছে রোজ ! ছিল না কোন নুন্যতম সুযোগ সুবিধা !

আন্দোলনকারীদের সাহাজ্যে এগিয়ে আসেন কিচছু বুদ্ধিজীবী ও সল্টলেকের বাসিন্দারা ! ওনারা অনশন কারিদের জন্য বায়ো টয়লেট এর ব্যাবস্থা করেন ! এছাড়াও সরকার বেতন কাটা ও শো কজ নোটিসশ জারী করতে চেয়েছিল ! কিন্তু সেটাও আন্দোলনকারীদের জেদের কাছে মুখ থুবড়ে পড়ে ।

শেষমেশ আর পথ না থাকায় সরকার আন্দোলন কারিদের দাবী মেনে নিয়ে বেতন বৈষম্য কমাতে উদ্যোগ নেয় ! এবং সেই অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রী নিজে বলেন যে, - সিনিয়র শিক্ষকদের পে প্রটেকশন দেওয়া হবে ও এর জন্য সরকারের কোষাগার থেকে মাসে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।
এবার আমাদের সাথে যোগাযোগ করা আরো সহজ 

তবে, আন্দোলন প্রাত্যাহার করে নেবার ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও সরকার পে প্রটেকশন নিয়ে কোন মাথা ঘামায় নি ! অর্থাৎ, শুধুমাত্র গ্রেড পে বৃদ্ধি করেই ক্ষান্ত ! তাতে দেখা যাচ্ছে সরকারের মাত্র ৫০০ কোটি টাকা খরচা হবে এবং কারো ১২০০ বা কারো ১৬০০ এবং কারো ২৪০০ টাকা বৈষম্য কমবে যা প্রয়োজনের তুলানায় অনেকটাই কম !



মিডিয়ার ভুল তথ্য পররিবেশন ঃ

সরকার আন্দোলনকারীদের দাবী মেনে নেওয়ার সাথে সাথেই বাজার চলতি কয়েকটি প্রিন্ট মিডিয়া নিজেদের ইচছমত যা খুশী তথ্য ছড়াতে থাকে ! কেও বলে এক একজন শিক্ষকের ১০০০০/- টাকা বাড়বে কেও বলে ৯০০০০/- তো কেও বলে ৮০০০/- টাকা বাড়বে ! তবে আজ
পর্যন্ত জানা গেলো না সেগুলি কোন হিসেবে ও কোন অ্যাকাউন্ট সেই হিসেব গুলি করেছেন ! তাই, এনাদের কথা আর বেশী না বলায় শ্রেয় ।


প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন ক্রম কি হবে সে নিয়ে ইতি পূর্বেই সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারী করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে । সেই নিরদেশিকায় সরকার জানিয়েছে যে , ১ ই অগাস্ট ২০১৯ থেকে সমস্ত প্রাথমিক  শিক্ষকদের  নতুন বেতন ক্রম লাগু হবে ৭১০০- ৩৪৭০০ + গ্রেড পে ৩৬০০ ( পি বি ৩ )

কিন্তু, সমস্যার শুরু  হয় তার পর থেকে কারন - সরকার যে নির্দেশিকা জারী করেছে তাতে সিনিয়র শিক্ষকদের ব্যাপারে কোন কিছুই উল্লেখ নেই !
অর্থাৎ, যে সমস্ত শিক্ষকরা ২০১০ বা তার আগেই জয়েন করেছেন তাদের নতুন বেসিক কি হবে এবং কিভাবে তা নিরদ্ধারণ করা হবে সে সম্পর্কে কিছুই বলা নেই অর্ডারে  ! দেখা যাচ্ছে যে, পুরানো শিক্ষকেরা প্রায় প্রত্যেকেই ইতিমদধ্যেই পি বি ৩ এর ব্যান্ড পে এর মধ্যে ঢুকে পড়েছেন  তাই, সরকার যদি তাদের পে প্রটেকশন না দেন তাহলে তাদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র গ্রেড পে বৃদ্ধি পাবে !
অর্থাৎ, আগের গ্রেড পে ২৬০০/২৮০০ থেকে বেড়ে হবে ৩৬০০ ! যার ফলস্বরুপ এক এক জন সিনিয়র শিক্ষকের বেতন বৈষম্য মিটছে মাত্র ২০০০/- টাকার কাছাকাছি !




আন্দলোলনকারীদের মতে যা কখনই কাম্য নয় ! কারন - আমাদের রাজ্যের মাদ্রাসার বেতন কাঠামোর সাথেও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রায় ১০০০০/- টাকার ফারাক আছে ! যা কমিয়ে আনার জন্যই আমাদের  আনসশনের মতো কঠিন পথের আশ্রয় নিতে হয়েছিল ! তবে সরকার পক্ষ কথা দিয়েছিলেন যে পে প্রটেকশন ও নির্দিষ্ট ফিটম্যান ফ্যাক্টর দিয়ে শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করা হবে ! কিন্তু আজ পর্যন্ত কোথাও কোন সেরকম সদরত্থক অর্ডার কিচছু পেলাম না ।

তাদের মতে , পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষকদের সাথে এটা এক প্রকার প্রতারনা করল সরকার ! তবে, শিক্ষকরা কেও চুপ করে বসে থাকবে না ! এর যোগ্য জবাব দেওয়া হবে সমস্ত শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে।
তবে, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ঢেকুর তুললেও ধন্যবাদ দিয়ে আসে যে সংগঠন তারা কি করবে তা জানা নেই !  যদি নিজেদের সংগঠন টিকিয়ে রাখতে চায় তাহলে এবার তাদেরও পথে নামতে হবে ! নাহলে কিন্তু, শিক্ষকেরা জেনে যাবেন কোন কোন সংগঠন কিসের জন্য আছে !

অর্থাৎ, রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের সাথে সরকার যেটা করল সেটা একপ্রকার ছল চাতুরী !মাননীয়   শিক্ষামন্ত্রী নিজে অবশ্য জানিয়েছিলেন যে , রাজ্যের মাদ্রাসা সশিক্ষকদের সাথে প্রাথমিক শিক্ষকদের একটা বেতন বৈষম্য আছে তা দূর করার চেষ্টা করা হল!
এবং এর জন্য রাজ্যের কোষাগার থেকে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা প্রায় প্রতি মাসে খরচ হবে ! কিন্তু হিসেবে দেখা যাচ্ছে যে , যদি সিনিয়র শিক্ষকদের পে প্রটেকশন না দেওয়া হয় এবং যদি শুধুমাত্র গ্রেড পে বৃদ্ধি করা হয় তাহলে রাজ্যের মাত্র ৫০০ কোটি টাকাতেই কাজ হয়ে যাবে !
১১০০ কোটি টাকা তখনই খরচ হবে যদি পে প্রটেকশন ও নির্দিষ্ট ফিটম্যান ফ্যাক্টর হিসেবে নতুন বেসিক হয় !

তাহলে শিক্ষকরা কি সরকারের এই ছল চাতুরি মেনে নিলেন !? - সে কথা সময় বলবে । তবে এখন শুধু একথা বলা যায় যে , রাজ্যের প্রতিটি শিক্ষক কিন্তু সরকারের এই  চছল চাতুরির জন্য ক্ষোভে ফুসছেন !
যে কোন সময় আবার সেই ক্ষোভের বহিপ্রকাশ হতে পারে !

আর শাসক দলের সংগঠন ( ধন্যবাদ দেওয়া সংগঠন ) এর নেতারা মুকখে কুলুপ এতঁটেছেন ! ওনারা এই নিয়ে কিছু বলতে নারাজ !



Saturday, 22 June 2019

June 22, 2019

ঐতিহাসিক সন্দিক্ষনে দাড়িয়ে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিলেন - পৃথা বিশ্বাস

এই মুহূর্তে সারা রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকেরা যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চান

উত্তর দিলেন আন্দোলনের নেত্রী -  পৃথা বিশ্বাস


দক্ষতা ও দৃঢ়তার সাথে, মুহূর্তের মধ্যে উত্তর দিলেন রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের  এই মুহূর্তের 5 টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের -
[ যে প্রশ্ন গুলি রাজ্যের অধিকাংশ প্রাথমিক শিক্ষক পাঠিয়ে ছিলেন জানার জন্য ]

আসুন, প্রথমে দেখে নেওয়া যাক কি সেই পাঁচটি প্রশ্ন -


ডিজিটাল বার্তা -  শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে আজ বৈঠক হচ্ছে কিনা?

ডিজিটাল বার্তা - বৈঠক যদি হয় তাহলে কি 24 জুন অর্থাৎ আগামীকাল কি আন্দোলন হবে আপনাদের?

ডিজিটাল বার্তা - শিক্ষা মন্ত্রী যদি আপনাদের PB 3 + 3600 স্কেলে উন্নীত করেন তাহলে কি আপনারা আন্দোলন তুলে নেবেন?

ডিজিটাল বার্তা - আমাদের রাজ্যের আপার প্রাইমারী স্কুলের বেতন PB3 + 4100, সেক্ষেত্রে কি আপনার মনে হয় আপনাদের দাবি মেনে নেবেন শিক্ষামন্ত্রী?

ডিজিটাল বার্তা - যদি আশানুরূপ কিছুই না হয় তাহলে আপনারা কি কি পদক্ষেপ নেবেন কলকাতায়?

দেখে নিন কি উত্তর দিলেন উনি - 


১। ডিজিটাল বার্তা -  শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে আজ বৈঠক হচ্ছে কিনা?
পৃথা বিশ্বাস - এখনও সঠিক বার্তা আসেনি শিক্ষা দপ্তর বা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রির তরফ থেকে ।

২। ডিজিটাল বার্তা - বৈঠক যদি হয় তাহলে কি 24 জুন অর্থাৎ আগামীকাল কি আন্দোলন হবে আপনাদের?
পৃথা বিশ্বাস - সেটা সম্পুন ভাবে বৈঠকের ওপর নির্ভর করছে । কারন - সেটা যদি সফল হয় এবং আমরা যদি পি আর টি স্কেল পাই , একমাত্র তখনই আমরা আন্দোলন বন্ধ করার কথা ভাবব , নচেৎ আন্দোলন হবেই ২৪ তারিখ অর্থাৎ আগামিকাল। 


৩। ডিজিটাল বার্তা - শিক্ষা মন্ত্রী যদি আপনাদের PB 3 + 3600 স্কেলে উন্নীত করেন তাহলে কি আপনারা আন্দোলন তুলে নেবেন?
পৃথা বিশ্বাস - এই বিষয়'টা এতটা সহজ নয় ! কবে থেকে দেবেন , কি কি দেবেন , কিভাবে দেবেন ইত্যাদি অনেকগুলি ফ্যাক্টর আছে ! অতয়েব আলোচনা চাই ।
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
২৪ জুনের ঐতিহাসিক শিক্ষক আন্দোলন সরাসরি লাইভ দেখার জন্য ও সরাসরি সমস্ত আপডেট আপনাদের ফেসবুকে পেতে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন ফেসবুক পেজ ডিজিটাল বার্তা -




--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
৪। ডিজিটাল বার্তা - আমাদের রাজ্যের আপার প্রাইমারী স্কুলের বেতন PB3 + 4100, সেক্ষেত্রে কি আপনার মনে হয় আপনাদের দাবি মেনে নেবেন শিক্ষামন্ত্রী?
পৃথা বিশ্বাস - আমাদের ন্যায্য আধিকার এটাই তাই এটাই আমাদের দাবী ।

৫। ডিজিটাল বার্তা - যদি আশানুরূপ কিছুই না হয় তাহলে আপনারা কি কি পদক্ষেপ নেবেন কলকাতায়?
পৃথা বিশ্বাস -  আপাতত এটাই বলতে চাই সুবোধ মল্লিক থেকে রাশমনি পর্যন্ত মিছিল ।




Sunday, 16 December 2018

December 16, 2018

"ওদের দাবী আকাশছোঁয়া, তাইতো তাদের মারতে যাওয়া !! " - সশস্ত্র আক্রমন পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের ওপর!

"ওদের দাবী আকাশছোঁয়া, তাইতো তাদের মারতে যাওয়া !! " - সশস্ত্র  আক্রমন পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের ওপর! 


ডিজিটাল বার্তা' আগেই জানিয়েছিল প্রথমিক শিক্ষকদের PRT স্কেল সম্পর্কে সরকারের মনোভাব কি !?এবং জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে , এই মুহূর্তে কোনোভাবেই সরকার পক্ষ শিক্ষকদের এই দাবী মানতে নারাজ। আর অন্যদিকে উস্থির ক্রমাগত আন্দোলনের চাপে সরকারের অবস্থা না ধরি না ফেলতে পারি!!  কারন- সংগঠন টি মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই নিজেদের দাবীর সপক্ষে রাজ্য রাজনিতিতে সাড়া ফেলেছে। ডান-বাম সকলকেই নিজেদের দাবীর স্বপক্ষে নিয়ে এসেছেন। এমনকি বয়কট হয়েছে বিধানসভা পর্যন্ত ।

উস্থির এই দ্রুত উত্থান অনেকের কাছে চোখের বালি হয়ে দাড়ায় ! প্রথমদিকে উস্থিকে বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ ছিলেন রাজ্যের সরকার । তারপর ঘরোয়া আলোচনায় আসছিল উস্থি । এরপর , আর চুপ থাকতে পারেনি রাজ্যের শাসক দল। তড়িঘড়ি উস্থির পাল্টা হিসেবে  নিজেদের সংগঠনকে চাঙ্গা করতে নজরুল মঞ্চে খোদ শিক্ষামন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃনমূল  প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রথম সম্মেলনের আওাহান জানান।
কিন্তু, কোথাও কোন ফল না হওয়ায় , ঠিক হয় কিভাবে আন্দোলনকে দমিয়ে দেওয়া যায় !! সে কথা আগেই ডিজিটাল বার্তা তে প্রকাশ করা হয়েছিল - " সরকার পক্ষ এখন দেখার অপেক্ষায় যে , আন্দোলন কতদিন টিকে থাকে !"
            এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-              
আর তাই, আন্দোলন থামাতে এবার একেবারে নির্লজ্জ পদক্ষেপ নেওয়া হল স্থানীয় ভাবে। সমাজ বিশেষজ্ঞ দের মতে এটা - " কোন আন্দোলনকে থামানোর একেবারে অন্তিম পর্যায়। কারন- পাল্টা সভা সমাবেশ, ধমক চমক, চাকুরিগত হুমকিতে যখন কাজ হয়নি তখন জানায় ছিল শেষ পর্যায়ে নামবে এই আন্দোলন থামানোর কৌশল!! তবে শিক্ষকদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলন থামাতে যে এই ঘৃণ্য ও চূড়ান্ত নোংরামির পথ কেও বেছে নিতে পারেন টা একেবারেই ভাবার বাইরে ছিল !!" 
 তবে প্রাথমিক শিক্ষকদের উপর এই সসস্ত্র হামলার  প্রতিবাদ জানিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানের মধ্যেই ঐক্যবন্ধ আন্দোলেনে পা মেলালেন রাজ্যের কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষক৷ রবিবার ছুটির দিনে কলকাতা শহরের রাজপথের দখল নিলেন প্রাথমিক শিক্ষকেরা । শনিবার প্রাথমিক শিক্ষকদের উপর দুষ্কৃতী হামলার প্রতিবাদে আজ শিয়ালদহ থেকে রাজা সুবোধ মল্লিক স্কয়ার পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেয় উস্তি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন বা UUPTWA৷ প্রায় হাজারখানিক প্রাথমিক শিক্ষক মিছিলে অংশ নিয়ে গোটা ঘটনার প্রতিবাদ জানান৷ প্রতিবাদ মিছিল থেকে সরকার পরিবর্তনেরও ডাক দেওয়া হয় বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে৷


আর একটি আরাজনইতিক সংগঠনের তরফে রাজধানীর বুকে মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যাবধানে ধিক্কার মিছিল করে দেখান মুখের কথা নয়। তাই, বিশেষজ্ঞদের মতে , এই পর্যায়ে এসে আন্দোলন হয় ভেঙ্গে যাওয়ার দিকে এগোয় নাহয় অন্যকে ভাঙ্গার দিকে এগোয় ! আজকের মিছিলে পা মেলান শিক্ষক শিক্ষিকাদের মনোভাব দেখে তো মনে হচ্ছে ওনারা দ্বিতীয় পথেই এগোচ্ছেন । এবার সময় প্রমান দেবে বাকিটা।



LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 

Saturday, 1 December 2018

December 01, 2018

এখনকার প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষক ও তাদের দায় দায়িত্ব - একটি অনুসন্ধান - প্রথম পর্ব

এখনকার প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষক ও তাদের দায় দায়িত্ব  - একটি অনুসন্ধান - প্রথম পর্ব 


মাত্র বছর খানেক আগে জন্ম নেওয়া একটা সদ্যজাত সংগঠন ! কিন্তু  সেই এখন পথ দেখাচ্ছে  কারবোনিফেরাস যুগের তাবড় তাবড়  নাম ভারী মূল ধারার দলীয় রাজনৈতিক সংগঠন গুলিকে । এক ছাতার তলায় বসাতে পেরেছে ডান বাম বা গেরুয়া সমস্ত নেতা নেত্রিদের ।

তাই, মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক - এত  কম সময়ের মধ্যে এত গ্রহন যোগ্যতা কিভাবে সম্ভব হল ?
উত্তর জলের মত পরিস্কার - " শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ না ভেবে দশের স্বার্থে কাজ  করলে আজ নাহয় কাল মানুষ আপনার সাথ দেবেই " আর কিছু না জাস্ট এটাই একমাত্র লুকানো সিক্রেট।

তাহলে আমাদের পূর্বপুরুষ রা !!? ওনারা কি করছিলেন ! ওনারা তো সেই আদ্যি কাল থেকেই সংগঠন করে আসছেন ! তাহলে ওনাদের এতদিনের সাজানো বাগানের কি কোন মুল্য নেই !!?

" আদ্দিকালের সংগঠন যদি দশের স্বার্থে কাজ করত তাহলে না আজ জন্ম নিত উস্থি, না আজ প্রাথমিক শিক্ষকদের স্বীকার হতে হত বেতন বঞ্চনার ! যিনি যখন ছিলেন তাতে ডান হোন বা বাম , শুধুমাত্র নিজেদের কিছু ক্যাডারদের সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন , বাৎসরিক টোকেন কেটেছেন আর দলীয় নির্দেশে সভাস্থল ভরিয়েছেন ! আহা ,কি আনন্দই না পেতেন যখন দলীয় বড়দাদারা  এসে পিঠ চাপড়ে বাহবা দিয়ে যেতেন সভা ভরানোর জন্য ! "

জিজ্ঞাসা করলাম এখন তাহলে ? 
- "এখনও  সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে ! কিছু মেরুদণ্ডহীন মানুষ ( শিক্ষক বললে শিক্ষক কথাটার অসম্মান হবে ) এমন ভাব নিয়ে সেই লেহ্য ইতিহাসের পুনরায় রিপিট টেলিকাস্ট  করতে যায় ,দেখে মনে হবে যেন - দ্বিতিয়বার ইংরেজ তাড়াতে চলেছে !!
আরে নিজেদের ভালো তো পাগলেও বোঝে ! কিন্তু না এই বিশেষ শ্রেণির প্রাণীরা বোঝেনা !  তাই, এরা কোন শ্রেণীতে পড়ে নির্ধারণ করতে গেলে ডারউইন , ল্যামারক বা আরিসটটল কে ডাকতে হবে আরও একবার পৃথিবীতে  !" 
- রাগঢাক না করেই গড় গড় করে বলে চলেছেন বঞ্চিত এক শিক্ষক ! ও একটু শুধরে নেবেন বঞ্চিত এক প্রাথমিক শিক্ষক ।
আর আমি ! সামলে নিয়ে  বুঝলাম এতক্ষনে সত্যি সত্যি বঞ্চনার স্বীকার হলে বোধ হয় এভাবেই বেরোয় বুকের ভাষা মুখ দিয়ে !
আমার দ্বিতীয় জিজ্ঞাস্য করার আর সুযোগ পেলাম না ...... কারন - তখন বঞ্চিত এক শিক্ষকের কথা শোনা ছাড়া উপাই নেই যে ! এতদিন শুধু এটুকুই জেনেছিলাম যে প্রাথমিক স্কুলে কাজ বলতে শুধু - "অ্যায় পড়া নিয়ে আয় ! পড়তে পারিস ? পড়ে শোনা দেখি কিম্বা যা লিখে নিয়ে আয় যা, সাথে যোগ হয়েছে  হাল আমলের মিড-ডে-মিল ,ব্যাস  " - এটুকুই জানতাম । বিশ্বাস করুন আমি এর বেশী জানতাম না । হয়ত সেটা আমার ব্যাক্তিগত অজ্ঞতা !! কিন্তু আমার ধারে কাছের লোকেদের কাছেও তো তাই শুনতাম বা শুনেছি বা বলা ভালো এখন শুনে চলেছি ।


কিন্তু , প্রাথমিক শিক্ষকদের এই বেতন বঞ্চনার নিয়ে লেখালেখি না করলে তো বুঝতেই পারতাম না আমরা কতটা সত্যি সত্যি অজ্ঞ আছি !
মাঝখান দিয়ে  ঢুকেছে কত রুবেলার আক্রমন ,আর সেই আক্রমন থেকে বাচতে আর ছাত্রদের বাচাতে ঠিক রাখতে হয়েছে রান্না ঘরের পুষ্টি , আবার পুষ্টির অভাবে দিতে হয় আইরন , নজর রাখতে হচ্ছে ছাত্র ছাত্রীদের পরিচ্ছনতা , না হলে আবার দিতে হয় কৃমির ডোস ! আর শুধু দিলেই তো হবেনা হিসেব তো চাইবে বড়বাবুরা ! তাই, রাখতে হবে আপডেট খাতাপত্র। এসব করে শিক্ষক যদি সুস্থ থাকেন তাহলে তিনি আবার করাবেন নির্মল বিদ্যালয় অভিযান ।
তারপর সব যখন কুশল নির্মল তখন তো সামিল হতে হবে আনন্দ- উৎসবে ! আর আনন্দ উৎসব মানেই তো -নতুন জামা প্যান্ট ! তাইনা ! আর জামা প্যান্টের সাথে  জুতো না হলে কি মানায় কখনও ! তাই জামা পরাও,  জুতো পরাও, ব্যাগ দাও ইত্যাদি ইত্যাদি ! ( ক্ষমা করবেন সব গুলো মনে রাখতে পারিনি )।

তবে লক্ষ করে দেখুন এসব গুলি কিন্তু একটাও শিক্ষক বা স্কুলের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় ! না আমি বাচ্চাদের জুতো , জামা প্যান্ট দেওয়ার বিরুদ্ধে নই ...! আমি চাই, ছাত্রছাত্রীরা আরও বেশী বেশী করে যাতে পায়  । ইনফ্যাক্ট , আমার তো শুনেই হিংসে হচ্ছে ! আমরা তো কিছুই পাইনি !

আর এসব করতে করতে শিক্ষকরা সত্যি কেমন যেন অভ্যস্ত করে নিয়েছে নিজেদের । জীবনে বাজার করেন নি এমন শিক্ষক এখন মুহূর্তে বলে দিতে পারে মুসুরি কত করে ? বাঁধা কপি কত যাচ্ছে ? বেগুন কেমন ভাবে বাছতে হয় ! - সৌজন্যে মিড-ডে-মিল !!
_________________________________________________________________________________
পড়ুন - ২০১৮ সালের সবচেয়ে বেস্ট ১০ টি স্মার্ট ফোন যাদের দাম দশ হাজার টাকার নিচে !

 
২০১৮ সালের সবার সেরা ১০ টি স্মার্ট ফোন যাদের দাম দশ হাজারের নিচে

_______________________________________________________________________________________________________
               
আর আমরা  তো  মিড-ডে-মিল খেয়ে হাত ধুয়েই খালাস ! কিন্তু, যিনি গৃহ কর্তা অর্থাৎ খাওয়ানর দায়িত্বে থাকেন তিনি বোঝেন নিশ্চয় ব্যাপার খানা ! কোথায় গ্যাস, কত চাল, রাধুনি ডেকে পাঠাও, সবজি আন, মসলা তৈরি রাখ , ঠিক মত হিসেব করে সারা মাস খাওয়াতে হবে কিন্তু ! বন্ধ হলে কিন্তু ঠাণ্ডা ঘরের বাবুরা গোসা করেন !
এরপর খেয়ে দেয়ে সুস্থ স্বাভাবিক সবাই হাটা চলা করলে তবে সার্থক ...ও হ্যাঁ, বাবুদের নাকি মনে হয় মাস্টার'রা  মেরে নিতেও পারে ! তাই সাথে সাথে ফোনে মেসেজ পাঠাও থান্ডা ঘরের বাবুদের - কত জন খেল আর কি খেল !! আর সাথে কয়েকটা নাকি খাতাও আছে যেগুলো প্রতিদিনের চালের হিসেব , টাকার হিসেব ইত্যাদি ইত্যাদি করতে হয় ।

সাথে আছে হরেক মিটিং আর রেগুলার বিদ্যালয়ের কার্যক্রম তো আছেই যেমন - পরীক্ষা, খেলাধুলো, শিশু সংসদ ইত্যাদি ।

তবে শিক্ষকদের আক্ষেপ নেই - "সবই করছি আর ভবিষ্যতেও সফলতার সাথেই করব কিন্তু একটাই অনুরোধ - ন্যায্য আমাদের যা বেতন তা দিয়ে দিক সরকার এর বেশী কিছুই চাই না ... আমরা সরকার বিরোধী নয় , সরকারের পাশেই আমরা আছি কিন্তু আমাদের অবস্থা টাও তো একবার ভেবে দেখা উচিৎ "
_________________________________________________________________________________

এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-


LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 
_________________________________________________________________________________
কোন মতে করলাম পরের প্রশ্ন - আচ্ছা, এই যে এত বঞ্চনার কথা বলছেন , এর জন্য নিজেদের অর্থাৎ শিক্ষকরা কি দায়ী নয় একটুও  !?

নয়  আবার !!  ১০০ ভাগ দায়ী  ! কিন্তু সেটা যাকে বলে বাই- ডিফল্ট কারন- আগে এই বিশেষ চাকুরিটি ছিল দলীয় বিশেষ ভাণ্ডারের মত!(এখন সেই মধু ভাণ্ড থেকে মাঝে মধ্যে মধু গড়িয়ে পড়ে দু-এক ফোটা চরম ভাগ্যবানদের মুখে !!   অর্থাৎ, যাকে তাকে যখন তখন খুশী করার জন্য সেই ভাণ্ডার থেকে চাকুরি বিলোনো  যেত ! আর সেই বন্টিত প্রসাদ আস্বাদন করে কি ভাগবানের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করা যায় !!

" তাই, সেই পাপের  বোঝা এবার বইতে হচ্ছে আমাদের ! আর রেহায় নেই যতদিন না এই পাপ স্খলন হচ্ছে ! আর তেনারা ! তেনারা আজও স্থিরচিত্ত , অবিচল, কি অবলীলায় ভগবানের( পড়ুন দলীয় দাদা দিদি  ) ধ্যানে মগ্ন হয়ে  বলতে পারে - এসব আন্দোলন করে আর কি হবে ! যখন যা পাবার তা তো দৈব বানিতে জানা জাবেই একদিন  !
ঠিক তখনি মনে হয় , তেনাদের  কানের নিচে কালবৈশাখী বইয়ে দিতে ! নেহাত আমার প্রাথমিক শিক্ষক বয়স্ক দের অসম্মান করতে শেখায় নি । " 

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কি আর বলি - আমি তো এখন সমাধান করে উঠতে পারিনি ছেলেমেয়েদের শিক্ষকরা পড়াচ্ছেন কখন !! যাক সেকথা সে নিয়ে অন্য কোনোদিন লিখব নাহয় আপনারা যদি বলেন ।

আসলে ফেসবুক পাঠক আবার বেশী বড় লেখা পড়তে ভালোবাসেন না । তাই, যাদের জন্য লেখা তারাই যদি না পড়েন তাহলে তো সবই ব্যর্থ ! 

সাধারন জন গনের উদ্দেশ্য লেখা এটি ...যাতে তারা ঠিকমত ওয়াকিবহাল হন বর্তমান যুগের প্রাথমিক শিক্ষকদের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি কিরকম এবং যাতে ওনারাও  বুঝতে পারেন যে আগেকার মত আর নেই প্রাথমিক শিক্ষা ব্যাবস্থা ।




Sunday, 25 November 2018

November 25, 2018

আজকের নজরুল মঞ্চে নিরব থেকে ঠিক কি বোঝাতে চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

আজকের নজরুল মঞ্চে নিরব থেকে ঠিক কি বোঝাতে চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী 



আজ ২৫শে নভেম্বর কোলকাতার নজরুল মঞ্চে ছিল পশ্চিমবঙ্গের তৃনমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির প্রথম সম্মেলন। এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় দুপুর ১২ টা নাগাদ। যথারীতি উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী সাথে ছিলেন আরও অনান্য ব্যাক্তিবর্গ । উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ তৃনমূল শিক্ষক সংগঠনের নেতা আশোক রুদ্র মহাশয়। আর ছিলেন প্রতিটি জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক নেতারা। 

এবার প্রথমে দেখে নেওয়া যাক, এই সভার গুরুত্ব কেন ছিল !!? 

আমরা এতদিনে প্রত্যেকেই জানি যে , পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকেরা উপযুক্ত যোগ্যতা মান থাকা সত্বেও নির্ধারিত হারে বেতন বা ভাতা তারা পাচ্ছেন না । হিসেব করলে অঙ্কটা দাড়ায় প্রায় ১০-১২ হাজার টাকার কাছাকাছি...... তাই , এই বেতন বৈষম্য দূর করতে মাত্র কয়েক মাস আগে থেকে UUPTWA  নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন আন্দোলন করতে শুরু করেন।

প্রথম দিকে সরকার সেরকম গুরুত্ব না দিলেও গত ২৯-৩০ তারিখের UUPTWA  এর আন্দোলনের পর সরকার নড়ে বসতে বাধ্য হয়।
সেই পরিপ্রেক্ষিতেই সরকারের নিজেদের সংগঠন চাঙ্গা করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই , তড়িঘড়ি নিজেদের দলের সম্মেলন ডাকেন শিক্ষামন্ত্রী।

তাই, সারা রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকেরা আজ এই সম্মেলনের দিকে তাকিয়ে ছিলেন । একটাই আশা যে শিক্ষামন্ত্রী যদি আজ শিক্ষকদের বেতন বঞ্চনার বাপ্যারে কিছু বলেন । 

যদিও ডিজিটাল বার্তার পক্ষ থেকে গতকালকেই জানানো হয়েছিল যে , আজকের সভা থেকে UUPTWA  এর যে PRT  স্কেল দাবী ,সেই দাবীর ব্যাপারে কিছু ঘোষণার আশা প্রায় ক্ষীণ !!

 আর আজ শিক্ষামন্ত্রী  প্রাধানত শিক্ষকদের পাশে থাকার বার্তাই দিলেন তবে শিক্ষকদের কবে থেকে যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন দেওয়া হবে সে ব্যাপারে কিছুই বলেননি ! মঞ্চ থেকে শিক্ষামন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজকর্ম তুলে ধরেন । সাথে তিনি জানান , তৃনমূল সরকার ক্ষমতাই আশার পর থেকে স্কুল শিক্ষার অনেক উন্নতি হয়েছে এবং এও জনান যে , সেই সব উন্নয়ন মুলক কাজকর্ম জনসাধারনের সামনে তুলে ধরতে হবে শিক্ষিতদের। সাথে বিরোধীদের উদ্দেসেও তিনি বলেন যে , শিক্ষকদের যেন বিপথে চালিত না করেন!

আর শিক্ষকদের উদ্দ্যেসে তিনি বলেন -  শিক্ষকদের পাশে সরকার সর্বদা । কিন্তু , কাজে ফাঁকি দিয়ে আন্দোলন করলে কড়া ব্যাবস্থা নিতে সরকার পিছপা হবে না ।
________________________________________________________________________________
এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-

LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 
_________________________________________________________________________________

তবে আজ সারা রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা খুব আশা নিয়ে আজকের সম্মেলনের দিকে তাকিয়ে ছিলেন এমনকি সম্মেলনে উপস্থিত তৃনমূল পন্থি কিছু শিক্ষক ও সেই আশা নিয়েই উপস্থিত হয়েছিলেন আজকের নজরুল মঞ্চে!
তবে সে বিষয়ে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী কিছু না বলাই সবাই আশাহত। 
এবার দেখার UUPTWA কোন পথে হাটে অর্থাৎ, ইতিমধ্যেই তারা কোলকাতার বুকে বড়সড় কয়েকটি সভা সমাবেশ করেছেন কয়েক মাসের মধ্যেই। তাহলে এবার কোন পথে আন্দোলন চালিত হয় সেটা দেখার।

এ বাপ্যারে আমরা শীঘ্রই যোগাযোগ করছি সংগঠনের সভাপতি পৃথা বিশ্বাস এর সাথে 

আপডেট দেওয়া হবে আমাদের ফেসবুক পেজ এ।
আপডেট থাকার জন্য লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ - 

____________________________________________________________________________-
এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-

LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 

Saturday, 24 November 2018

November 24, 2018

শিক্ষক আন্দোলনের গতকাল আর আগামীকাল :

শিক্ষক আন্দোলনের গতকাল আর আগামীকাল ....
আজ মাঝের ২৪ ঘণ্টা 

মাঝখানে ব্যবধান 24 ঘন্টা!! তারপরেই শিক্ষক মহল মনে করছেন সরকারের মনোভাব অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে...


গতকাল UUPTWA এর ব্যানারে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকেরা কলকাতায় ধিক্কার মিছিল ও সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন আর আগামীকাল অর্থাৎ 25 নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রী বসবেন তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন এর সাথে....

যদিও আলোচ্য বিষয় কি তা পরিষ্কার ভাবে জানা যায়নি.. তবে সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রতিটি জেলার তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষা সেলের জেলার নেতৃত্ব..
তবে এই আলোচনা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বিভিন্ন দিক দিয়ে....কারণ -

এক দিকে UUPTWA এর ক্রমবর্ধমানতা..
আর অন্য দিকে দলের ভেতরেও মৃদু স্বর ভেসে আসছে  যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য বেতনের দাবীতে ।

কোলকাতা সুবোধ মল্লিক স্কয়ার থেকে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত মিছিল 
এমনিতেও সরকারের তরফে  প্রাথমিক শিক্ষকদের কাজ বলতে কিছুই হয়নি ! বিভিন্ন জেলাতে দূরবর্তী অঞ্চলের শিক্ষকেরা বাড়ি থেকে প্রায় ৮০-১২০ কিমি দূরে ,১০-১২ বছর ধরে কাজ করে গেলেও আজ পর্যন্ত না সরকার না সরকারী সঙ্ঘটন !! কেও উচ্চবাচ্য কিছুই করেনি ।
অথচ, মাঝে মধ্যে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ১-২ বছর কাজ করেও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই কেও কেও নিজের পছন্দ মত স্থানে বদলি হচ্ছেন !!

কেবলমাত্র একটি কাজ সরকারী সঙ্ঘটন ঠিক সময় নিয়ম মেনে করে থাকে তা হল- মেম্বেরদের কাছ থেকে বাৎসরিক চাঁদা আদায় !!
ধীরে ধীরে দেওয়ালে পিঠ থেকতে শুরু করেছিল আর তারই বহিপ্রকাশ UUPTWA  এর প্লাটফর্ম।

তাই, একপ্রকার নিজেদের শিক্ষক সংগঠন  কে ঝালিয়ে নেওয়ার জন্যই এই ২৫ তারিখের আয়োজন বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষণকারীদের । আর , সামনে ভোট ! তাই, সরকার এবং বিরোধী উভয় পক্ষই চাই এই বিপুল পরিমান প্রাথমিক শিক্ষকদের নিজেদের পাশে পেতে। তাই, বিরোধী নেতারাও যেমন পাত্তা দিতে বাধ্য হচ্ছেন UUPTWA কে ঠিক তেমনি সরকারও আর অবহেলা করতে পারছেনা ।

তবে ঘনিষ্ঠ মহলের মতে , UUPTWA  এর যা দাবী তা ন্যায্য দাবী হলেও ,সরকারের পক্ষে এখন তা কার্যকর করার সম্ভবনা খুব ক্ষীণ , কারন- এমনিতেই সামনের বছরেই দিতে হবে পে-কমিশন ! আর টালবাহানা করে ফেলে রাখা যাবে না ।
অন্যদিকে UUPTWA  নিজেদের ন্যায্য দাবী আদায়ে মোক্ষম সময়ে যে ভাবে আন্দোলনের ধার দিন দিন যেভাবে বাড়িয়ে চলেছে তাতে সরকার পক্ষ বেকায়দায় !! প্রথমদিকে কিছুটা হালকা ভাবে নিলেও এবার দলীয় আলোচনায় উঠে আসছে UUPTWA  প্রসঙ্গ।


সরকারের  সমস্যা বেড়েছে মূলত ২ টি কারনে
- এক, বাইরে স্বীকার না করলেও ওনারা জানেন যে শিক্ষকদের দাবিদাওয়া ন্যায্য আর দুই, এটা শিক্ষকদের সংগঠন, তাই মনভোলানো কথায় ভুলিয়ে রাখাটা কিছুটা রিস্ক হতে পারে সামনের ভোটে ! কারন- সরকার এমনিতেই চাই যাতে প্রাথমিক শিক্ষকেরা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি যাতে সাধারন মানুষের মধ্যে তুলে ধরেন।
তাই, UUPTWA  এখন গলায় আটকে, না ফেলতে পারছেন না গিলতে পারছেন। 
তাই ,আগামিকাল ২৫ নভেম্বরের সভা থেকে কিছুটা ড্যামেজ কন্ট্রোল বা একটা শেষ চেষ্টা করা হবে শিক্ষকদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার মাধ্যমে।
২৫ নভেম্বরের নজ্রুল মঞ্চ থেকে পরিস্থিতি  কিছুটা বাগে আনার চেষ্টা করা হবে মাত্র। সেখানে শিক্ষকদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হবে। আর , আশ্বাস দেওয়া হবে - শিক্ষকদের দাবিদাওয়া নিয়ে সরকার ভাবছে ! যদি কিছু কাজ হয় । এবং জেলার নেতৃত্বরাও জেলার শিক্ষকদের গিয়ে বলতে পারবেন যে সরকার ভাবছে শিক্ষকদের কথা - আপনারা পাশে থাকুন !!

সম্বরধনা দেওয়া হচ্ছে ২৯-৩৯ অক্টোবর এ গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষকদের 

যাইহোক, নজ্রুল মঞ্চ থেকে সরাসরি আপডেট পেতে চোখ রাখুন - www.digitalbarta.in  অথবা , লাইক করুন আপনাদের ফেসবুক পেজ - DIGITAL BARTA
_________________________________________________________________________________

কালকের শিক্ষামন্ত্রী'র সাথে বৈঠকের তৎক্ষণাৎ আপডেট পেতে সঙ্গে থাকুন আর লাইক করুন আমাদের Digital Barta​ 💐 ফেসবুক পেজ........


এ জাতীয় খবরের  আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-

LIKE OUR FACEBOOK PAGE - DIGITAL BARTA 
_________________________________________________________________________________
READ : HEART BREAKING TRUTH OF SENTINEL TRIBE IN NORTH ANDAMAN ISLAND
______________________________________________________________________________

Wednesday, 31 October 2018

October 31, 2018

শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া - বিরোধী - গ্রেপ্তার - অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন !! আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারাও

শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া -  বিরোধী - গ্রেপ্তার -  অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন  !!

 আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারা

আবেগ ধরা অসম্ভব তবু চেষ্টা মাত্র - ডিজিটাল বার্তা 


শহিদ মিনার, কোলকাতা , ৩০ শে অক্টোবর ঃ কিভাবে ব্যাখ্যা করব এই ঘটনা জানা নেই......। চোখে দেখা দৃশ্য কে কিভাবে সঠিক রুপ দেবো বুঝে উঠতে পারছি না । এমন আবেগ, এমন দৃঢ়তা , এমন বজ্র কঠিন সঙ্কল্প , এমন কারাবরন , এমন স্বতস্ফুরত অংশগ্রহণ এর আগে দেখার সৌভাগ্য হয়নি।  

গতকাল থেকে অপেক্ষা করে করে ভাবছি কি হেডলাইন দেবো !! কি লিখলে যোগ্য সম্মান দেওয়া হবে শিক্ষিকাদের এমন কারাবরনের !! কি করলে সঠিক খবর , সঠিক বার্তা পৌঁছবে সমাজের কাছে !! তাই ভেবে চলেছি !!

না, আমার ভাবার কিছু ছিলনা , অনায়াসে লিখে দিতে পারতাম - " বিরোধীরা একই মঞ্চে এসে সরকারকে তুলোধোনা করল " অথবা, অন্যসব নিউজ পোর্টাল এর মত বলতে পারতাম - " শিক্ষকদের একাংশের বেতন বৃদ্ধির জন্য পথ অবরোধ করে আন্দোলন" !! আর নাহয় একটা ছবি তুলে  ক্যাপশন দিতে পারতাম - " শিক্ষকদের আন্দোলনে পথচারিদের আসুবিধে " !!

কিন্তু, সেরকম হলে তো সঠিক হত না ......... প্রাপ্য সম্মান কি দেওয়া হত মাননীয় শিক্ষকদের !!
কাল যেন ইতিহাস'কে পথে নামতে দেখলাম । উপলব্ধি করলাম হাজার হাজার মাস্টারদা উঠে এসেছেন ইতিহাস থেকে ডোরিনা ক্রসিং এ। 

রবীন্দ্রনাথ  ঠাকুরের সেই কালজয়ী দুই লাইন মনে পড়ছিল আন্দোলনরত শিক্ষক -শিক্ষিকাদের দেখে - " চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ সেথা শির" । আর তাই, শেষ পর্যন্ত কারাবরন করা শিক্ষক -শিক্ষিকারা  নিজেদের শির উঁচু করে পুনরায় ফিরে এলেন লক আপ থেকে । 
-- সেই ইতিহাসের সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং ।



সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং - যখন পথচারিরা অবাক বিস্ময়ে দেখছে শিক্ষকদের আবেগ মাখা আন্দোলন ।
পথচারীদের কথায় - " কোলকাতা আন্দোলন তো প্রায় রোজই দেখে  , কিন্তু নিজেদের বঞ্চনার জন্য শিক্ষক মহাশয়দের এই আন্দোলন অন্যতম , অভিনব ও সমাজের প্রতি যথেষ্ট ঈঙ্গিতবাহী !!"

সাক্ষী আছে ডোরিনা ক্রসিং,  যখন গ্রেপ্তার হচ্ছেন বেলা সাহা, নাফিসা, চন্দন , মইদুল, শাশ্বত, পৃথা ......, তখন শহিদ মিনারে প্রস্তুত আছেন আরও হাজার হাজার বেলা, চন্দন, মইদুল পৃথা !! 

আর আমাদের বড় বড় স্বনামধন্য মিডিয়া তখন ব্যাস্ত আছেন এটাকে পথচারীদের আসুবিধে দেখাবেন নাকি বিপর্যস্ত জনজীবন নাম দেবেন !! নাকি আর একটু অপেক্ষা করবেন ওপর থেকে ফোনে কি লেখার অর্ডার আসে সেই জন্য !!

পুলিশ এর ভুমিকা বিশেষ কি বলার থাকতে পারে ! কারন - ট্রেনিং নেওয়ার সময় ওনারা এক প্রতিজ্ঞা করেন আর বাস্তব সম্পূর্ণ আলাদা হয় !! আসলে ওনাদের দোষ দিয়েও বিশেষ কিছু লাভ নেই , চিরকাল তো এটাই জানি -  ক্ষমতা ধারী ,পকেট ভারী আর না হয় লোক হতে হবে সরকারী ! তবেই ওনাদের থেকে সঠিক বা বেঠিক কিছু আশা করা যেতে পারে। তাই, এই প্রসঙ্গ না বাড়ানোয় ভালো। 

যাই হোক আমাদের বাংলা দেখাল  তার মেয়েরা আজও সেই মাতঙ্গিনীর মতই তেজস্বিনী । হাসি মুখে কারাবরন করতে তারা পিছপা নন।

=======================================================================

=======================================================================

আর সভামঞ্চ !! তা দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এটা শহিদ মিনার প্রাঙ্গন নাকি বিধান সভা !! শিক্ষকদের ন্যায্য দাবিকে সমর্থন জানাতে কে আসেন নি সেখানে !! 
পশ্চিমবাংলা এর আগে কবে আর কোন ইস্যুতে একসাথে একই মঞ্চে দেখেছেন - " আধির চৌধুরী, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, আব্দুল মান্নান, দিলিপ ঘোষ , সুজন চক্রবর্তী, নরেন বাবু ......... প্রমুখ নামগুলো !!"

এ প্রসঙ্গে মাদিরাহাটের বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষক যথার্থ বলেছেন - "  আমাদের এই একসাথে একই মঞ্চে বসে শিক্ষক আন্দোলন সমর্থন করাকে আমাদের মিডিয়া বন্ধুরা দেখাবেন এইভাবে- ' আগামী লোকসভা ভোটে হয়ত আমরা জোট বাঁধতে চলেছি ' !! কিন্তু, তা নয়। পার্টি থাকবে নিজের স্থানে । আজ আমরা এখানে এসেছি আমাদের শিক্ষক মহাশয়দের বঞ্চনার প্রতিবাদ জানাতে ও ওনাদের ন্যায্য দাবিকে সমর্থন জানাতে । " 



FACEBOOK PAGE- CLICK
CLICK & UPDATE ALWAYS


অবশ্য কেও কেও এসেছিলেন এমন সুন্দর সভামঞ্চকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে, তা ওনাদের বক্তব্যতেই পরিস্কার !! শিক্ষকদের আন্দোলনে এসে পেট্রোলের দাম কেন বাড়ছে ! জিনিসপত্র কেন আরও সস্তা হচ্ছেনা ! - এসব বোধহয় ওনাদের সস্তা মানসিকতার সস্তা বহিপ্রকাশ ছাড়া কিছু না। আর মঞ্চে উপস্থিত  শিক্ষকদের রেসপন্স প্রত্যেক বক্তাকেই বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল যে এটা শিক্ষক আন্দোলন । আসলে কিছু নেতা ভাড়া করে নিয়ে আসা লোকজনদের সামনে বক্তব্য দিতে দিতে ভুলেই গেছেন যে এটা একটু আলাদা । কারন - এখানের সবাই তো শিক্ষক আর এনারা কেও ভাড়া নিয়ে আসেননি !! এসেছেন স্বতস্ফুরত ভাবে নিজেদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরতে।  



আর সরকার ! জানি না কেন ওনাদের এত অনীহা, শিক্ষক বন্ধুদের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসতে !! UUPTWA এর তরফে বক্তব্য - " মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী  অন্য সংবাদ চ্যানেলে বলছেন - এভাবে বেতন স্কেল পরিবর্তন করা যায়না !! বা বলছেন সরকারের আর্থিক অবস্থা ভালো হলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন !! বেশ , ভালো কথা । কিন্তু এই কথা গুলোই যদি সংবাদ মাধ্যমে না বলে আন্দোলন কারিদের সাথে আলোচনায় বসে বলেন তাহলে কি কোন পাপ লাগতে পারে !! নাকি অচ্ছুৎ হয়ে পড়ার ভয় আছে ! এটা কি খুব বেশী দাবী ছিল !! যার জন্য গ্রেপ্তার করা গেলো কিন্তু আলোচনায় বসা গেলো না !! "  

শেষ পর্যন্ত, আন্দোলনকারী শিক্ষকরা সরকারকে আরও কিছুটা সময় দিলেন আলোচনায় বসার  জন্য । ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হল  UUPTWA  এর পক্ষ থেকে সরকারকে আলোচনায় বসার জন্য।

পৃথা বিশ্বাস - লক আপ এ অনশনরত 

তাহলে সমস্যা জিইয়ে রাখা কেন.........!! অবশ্য সেটা সরকারের ব্যাপার । ওনারা দেখবেন কিভাবে সমস্যা মেটাবেন। 

তবে , এটা কিন্তু চরম বাস্তব শিক্ষাগুরু দের অপমান করে কোন দেশ, কোন জাতি, কোন কালেই , কোন ভাবেই , কোন স্থানেই শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করতে পারে না !!  

শেষ কথা - শিক্ষক - সরকার- মিডিয়া -  বিরোধী - গ্রেপ্তার -  অনশন -পুলিশ - অবরোধ - শিক্ষক আন্দোলন  !! আজ সত্যিই ইতিহাস সৃষ্টি করল পশ্চিমবাংলার শিক্ষক শিক্ষিকারা । 


তবে, এ জাতীয় খবরের কোলকাতা শহিদ মিনার থেকে আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-
FACEBOOK PAGE- CLICK


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------